Home | বিবিধ | পরিবেশ | জিলকার হাওরে ডিসকভারি মৎস্য প্রকল্প-এলাকায় টান টান উত্তেজনা

জিলকার হাওরে ডিসকভারি মৎস্য প্রকল্প-এলাকায় টান টান উত্তেজনা

sgvvvguসিলেট প্রতিনিধি : সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের বলাউরায় জলমহাল দখল নিয়ে দুইপক্ষের সংঘর্ষে খবর পেয়ে গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে এলাকায় টান-টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে য়ে কোন সময় ঐ জিলকার হাওরে ডিসকভারি মৎস্য প্রকল্প নিয়ে বড় ধরণে সংঘষের সম্ববনা রয়েছে। এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায় যে ছাতকের মুর্শেদ আহমদ ও বলাউরার আবুল কাশেমের গণ দির্ঘদিন যাবত ঐ ডিসকভারি মৎস্য প্রকল্প পরিচালনা করে আসছেন গত ১৪ এপ্রিল শাহ জামাল নুরুল হুদা ও নাসির উদ্দিন গণ দখল করতে গিয়ে এলাকাবাসী বাধার মুখে পরে পালিয়ে আসেন কিন্তু দখলে ব্যাত হলে আবাও আজ শুক্রবারে দখলে খবর পেয়ে মুর্শেদ আহমদ ও আবুল কাশেমের এলাকাবাসীসহ বাধা প্রতিরোধ করা জন্য প্রস্তুত রয়েছেন এরি খবর পেয়ে জালালাবাদ থানার ওসি গৌছুল আলম নেতৃত্বে এক দল পুলিশ ঘটনাস্থে গিয়ে পরিস্থিকে নিয়নতনে আনে এবং সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আশফাক আহমদ ঘটনার স্থানে গিয়ে উবয় পক্ষেকে বিচার শালিশে মাধোমে বিষয়টি মিমানশার জন্য চেষ্টা করে ৭নং মোগলগাও ইউনিয়নের বর্তমান চেয়াম্যান সামসুল ইসলামের কাছে সমজিয়ে আসেন তখন সামসুল ইসলাম বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য তিনি তাহার ইউনিয়নে তিন জন্য ইউপি সদস্য দেরকে দায়ত্বে দিয়ে আসে ইউপি সদস্যরা হলেন ৭নং ওয়ার্ড মেম্বার আব্দুল মালিক,৮নং ওয়ার্ড মেম্বার আসদ্দর আলী কালা মিয়া,৩নং ওয়ার্ড মেম্বার ফজলু মিয়াসহ তাদের কাছে বর্তমানে জিলকার হাওরে ডিসকভারি মৎস্য প্রকল্প দায়ত্ব রয়েছে। পরে উবয় পক্ষকে নিয়ে  সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও ৭নং মোগলগাও ইউনিয়নের চেয়াম্যানসহ এলাকার গণ মান্য ব্যাক্তিবর্গকে সাথে নিয়ে বিচার শালিশের মাধ্যোমে বিষয়টি মিমাগশাহ করা হবে বলে জানিয়েছে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আশফাক আহমদ তবে জিলকার হাওরে ডিসকভারি মৎস্য প্রকল্প পুলিশ মোতায়ান রয়েছেন বিষয়টি শেষ না হওয়া প্রজন্ত ঘটনাস্থানে পুলিশ তাকবে এবং যাদেও ভূমি সটিক কাগজে মালিক হবে তাতের কে সমজিয়ে দেওয়া হবে। এব্যাপারে নাসির উদ্দন এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি মোবাইল ফোনটি দরেনি এবং এব্যাপারে আবুল কাশেমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন চেয়ারম্যান এন মাধ্যামে বিষয়টি বিচার শালিশে রয়েছে তাই আমরা চাই বিচারের জিনি সটিক কাগজ পত্র দেখাতে পারবে তারই হবে সটিক মালিক । হিরণ মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার শুধু হাজী আছন মিয়াকে দেখিয়ে দিবো আমার আর কোন প্রতিশোধ নাই। এটাই আমার প্রতিশোধ শুধু আছনকে খেয়ে ফেলা। জালালাবাদ থানা ওসি সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলে আমি বর্তমানে ঘনাস্থানে রয়েছি উভয় পক্ষকে গ্রামের দুইপাশে দেখা গেলেই তাহার কেউ ঘটনাস্থানে আসেনি তবে শুনেচি যে উভয় পক্ষেকে বিচারের মাধ্যামে বিয়টি দেখিয়ে দিবেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এবং এনিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

সেন্টমার্টিন দ্বীপ : বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে দ্বীপের জীব-বৈচিত্র

সেন্টমার্টিন দ্বীপের চেহারা দিন দিন বিপর্যস্ত হয়ে যাচ্ছে। পর্যটকের পরিমাণও দিন দিন ...

রাজবাড়ীতে জলবায়ু পরিবর্তনে কৌশল পত্র ও কর্মপরিকল্পনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত

রুরেলুর রহমান, রাজবাড়ী : ”জন অংশ গ্রহন, বাস্তবায়ন ও সমন্বয়” এই স্লোগানকে ...