Home | ব্রেকিং নিউজ | চিতলমারীতে প্রাথমিক শিক্ষকদের পাঠদানের মান নিয়ে নানা প্রশ্ন

চিতলমারীতে প্রাথমিক শিক্ষকদের পাঠদানের মান নিয়ে নানা প্রশ্ন

চিতলমারী (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার অধিকাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের সন্তানদের কিন্ডার গার্টেনে পড়ান। নিজেরা শিক্ষক হয়েও ভাল রেজাল্টের আশায় উচ্চ বেতন দিয়ে প্রাইভেট স্কুলে পড়ানোতে এ উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষকদের পাঠদানের মান নিয়ে অভিভাবক ও সচেতন মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে। তাহলে কি ওই শিক্ষকদের নিজেদের শিক্ষাদানের ওপর নিজেদের আস্থা নেই ? এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলা সদরের আশেপাশের স্কুল গুলোর শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিনদিন কমে আসছে। আবার অনেক স্কুলে স্বামী-স্ত্রী দুজনে একই স্কুলের শিক্ষক হওয়ায় বিদ্যালয়টিকে পরিবার বানিয়ে ফেলেছেন। এমনটা চলতে থাকলে অচিরেই বেশ কয়েকটি বিদ্যালয় ছাত্র-ছাত্রী শূন্য হয়ে পড়বে। তবে এ নিয়ে কোন মাথা ব্যাথা নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। এমন অভিযোগ তুলেছেন অভিভাবক মহল। অথচ প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে সরকারের আন্তরিকতার কোন ঘাটতি নেই।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় মোট ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। উপজেলা সদরে রয়েছে এ কে ফায়জুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। আশপাশে রয়েছে সুরশাইল, ব্রহ্মগাতী, কুরাতলা, খড়মখালী শ্রীমতি স্নেহলতা ও শ্যামপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ গুলোতে দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র-ছাত্রী কম। কারন উপজেলা সদরে রয়েছে শেখ হেলাল উদ্দীন একাডেমি, আজিজুল হক আইডিয়াল একাডেমী, শিশুকানন একাডেমী ও উচ্ছাস কিন্ডার গার্টেন। এসব প্রাইভেট স্কুলে শিক্ষার্থীর প্রচুর চাপ। এদের মধ্যে খুঁজলে দেখা যাবে অনেকেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সন্তান।

এ ব্যাপারে অনুপ মজুমদার, রহিমা বেগম, পলাশ তালুকদার ও মহেন্দ্র নাথ মন্ডলসহ অনেকে বলেন, তারা শিক্ষক হয়ে যদি নিজেদের সন্তানদের প্রাইভেট স্কুলে পড়ান, তাহলে আমাদের সন্তানদের কি হবে। আর ওই সব শিক্ষকদের পাঠদানেরই বা কি যোগ্যতা আছে।

বারাশিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ সাফায়েত হোসেন জানান, প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে সরকারের আন্তরিকতার কোন ঘাটতি নেই।তবে প্রাইমারী শিক্ষকদের সন্তানদের কেজি স্কুলে পড়ানো ঠিক নয়। তাহলে শিক্ষকদের পাঠদানের মান নিয়ে সচেতন মহলে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।

এ ব্যাপারে জানতে কয়েকজন প্রধান শিক্ষককের কাছে প্রশ্ন করলে তারা কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

তবে চিতলমারী উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার এস এম আলী আকবর জানান, কয়েকজন শিক্ষক তাদের ছেলে-মেয়েকে প্রাইভেট স্কুলে পড়ান এ কথা সত্য। তবে চিতলমারী সদরে বাস করলেও অনেক শিক্ষক দূরের স্কুলে শিক্ষকতা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ঘূর্ণিঝড় গাজার তাণ্ডবে ভারতে ১৩ জনের মৃত্যু

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : ভারতের তামিলনাড়ু উপকূলে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় গাজার তাণ্ডবে অন্তত ...

সুনামগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৩০

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায়দূর্গা পূজায় গ্রামের পূজা মন্ডপে ব্যানার টানানোকে কেন্দ্র ...