ব্রেকিং নিউজ
Home | আন্তর্জাতিক | চাঞ্চল্যকর তথ্যঃ কালাইয়ে ২৩টি গ্রামে আবারও কিডনি বিক্রি

চাঞ্চল্যকর তথ্যঃ কালাইয়ে ২৩টি গ্রামে আবারও কিডনি বিক্রি

মোঃ চঞ্চল বাবু কালাই (জয়পুরহাট)প্রতিনিধি, প্রতিনিধি, ২২ মার্চ, বিডিটুডে ২৪ডটকম : কালাইয়ে চাঞ্চল্যকর কিডনি মামলার আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে বেরিয়ে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। দালালেরা লোভনীয় অফার দিয়ে কিডনি সংগ্রহের কাজ করছেন। এবার নতুন দালালের মাধ্যমে এ ব্যবসা জমজমাট আকার ধারণ করেছে। দালালদের ফাঁদে পা দিয়ে এখন প্রতিদিনই কিডনি বিক্রি করতে রাজধানী ঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে ছুটছে কালাই উপজেলার গরীব খেটে খাওয়া হতদরিদ্র মানুষেরা। বর্তমানে নারায়নগঞ্জের এক কিডনি দালালের মাধ্যমে গত তিন মাসে কালাই উপজেলার বোড়াই গ্রামের বেলালের স্ত্রী জোসনা, রাঘবপুরের সুজাউল, আফজাল ও তার স্ত্রী, উলিপুরের আজাদুল ও ছারভানু, মাত্রাই গুচ্ছগ্রামের মিলন, কুসুমসাড়ার মোস্তফা ও সেকেন্দার মন্ডল, সাঁতারের সৈয়দ আলী, কালাই পৌর শহরের থুপসরা মহল্লার বিপ্লব ফকিরসহ অন্তত ৩০ জন নতুন করে কিডনি বিক্রি করেছে।অঙ্গহানির তথ্যে সামাজিক-পারিবারিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হওয়া এবং আইনি ঝামেলার ভয়ে অনেকেই বিষয়টি গোপন রাখছেন।

 সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে ও মানুষের সাথে কথা বলে পাওয়া গেছে এমনই সব চাঞ্চল্যকর তথ্য।

 এভাবেই ৬-৭ বছর ধরে উপজেলার প্রায় ২৩টি গ্রামের দুই শতাধিক হতদরিদ্র মানুষেরা অভাব আর ঋণের বোঝা থেকে মুক্তি পেতে নিজেদের মূল্যবান অঙ্গ কিডনি বিক্রি করে ফেলেছেন। মানব দেহের এই মূল্যবান অঙ্গ কিডনি বিক্রি করে হতদরিদ্ররা সামান্য নগদ অর্থ পেলে ও দালাল চক্র হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। অন্যদিকে স্বাস্থ্যসেবা না পেয়ে কর্মক্ষমতা হারিয়ে সমাজের বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে অতীতের অনেক কিডনি বিক্রেতা। তারা পায়নি কোন সাহায্য সহযোগিতা। আর এভাবেই গরীব অভাবগ্রস্ত হতদরিদ্র মানুষেরা ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে মৃত্যুর দ্বার প্রান্তে।

কালাই পৌরসভার থুপসাড়া মহল্লা, সাতার, উদয়পুর,ইন্দাহার, ভেরেণ্ডি,বহুতি, আহম্মেদাবাদ,মাত্রাই,কুশুমসাড়া,দুর্গাপুর, রাঘবপুর,বিনই, বোড়াই, জয়পুর,বামনগ্রামসহ প্রায় ২৩ গ্রামের দুশতাধিক হতদরিদ্র মানুষ কিডনি দালাল চক্রের পাতানো ফাঁদে পা দিয়ে মানবদেহের মূল্যবান অঙ্গ কিডনি বিক্রি করার মতো চাঞ্চল্যকর সংবাদ গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার হলে নড়েচড়ে বসে স্থানীয় প্রশাসন। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে মাঠে নামে পুলিশ  ও গোয়েন্দা বাহিনী । দ্রুত গ্রেফতার করা হয় কিডনি চক্রের মূলহোতা ঢাকার তারেক আজম ওরফে বাবলু চৌধুরী, নাফিজ মাহমুদ, মাহমুদ ওরফে সুজন, বাগেরহাটের সাইফুল ইসলাম দাউদ ও স্থানীয় দালাল বহুতি গ্রামের আবদুস ছাত্তারসহ গ্রেফতার করা হয় ১০ জনকে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ছয়জন এ চক্রের সঙ্গে নিজেদের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ আবার এ চক্রের সঙ্গে ঢাকার নামকরা একাধিক হাসপাতাল ও স্বনামধন্য চিকিৎসকদের জড়িত থাকার কথাও স্বীকার করে। পুলিশ দ্রুত এ তদন্ত কার্যক্রম এগিয়ে নিলেও অদৃশ্য কারণে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কালাই থানার তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ ফজলুল করিমকে হঠাৎ এক মাসের মাথায় বদলি করা হয়। ফলে মামলার কার্যক্রম অনেকটা ধীর গতিতে নেমে আসে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে গ্রেফতারকৃত দালাল চক্ররা মামলার মাত্র পাঁচ মাসের মাথায় জামিনে মুক্ত হয়ে আবারো সক্রিয় হয়ে ওঠে কিডনি বেচা কেনায়। জনগনের অভিযোগ, কিডনি চক্রের রাঘব বোয়াল দের বাঁচাতেই মামলার ঐ তদন্ত কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

এ দিকে কিডনি বিক্রয় প্রতিরোধে আইনগত ব্যাবস্থার পাশাপাশি জন সচেতনতা বাড়াতে এবং কিডনি দাতা অসুস্থ মানুষদের চিকিৎসাসেবা প্রদানসহ স্থানীয় প্রশাসনের নেয়া উদ্যোগ ও ভেস্তে যায়। প্রশাসনের দেয়া প্রতিশ্রতিও নানা অঙ্গীকার পূরণে ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি কিডনি বিক্রি প্রতিরোধে বর্তমানে প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় ক্ষুব্ধ অতীতের কিডনি বিক্রেতারা।

তাদের অভিযোগ, আমরা না বুঝে কিডনি বিক্রি করেছি, এর জন্য প্রশাসন, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি সবার কাছেই আমরা সে সময় অপরাধী হয়েছিলাম। আমাদের নিয়মিত ফ্রি চিকিৎসাসেবা প্রদানের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিশ্রতি দেয়া হলেও চিকিৎসা সেবা পাওয়া দূরের কথা বিগত এক বছরে আমাদের কেউ খোঁজ খবর নেয়নি কেউ। অথচ এখন প্রতিদিন কিডনি বিক্রির জন্য এ এলাকা থেকে মানুষ রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন দেশে গেলেও পুলিশ প্রশাসন কোনো ব্যাবস্থা নিচ্ছে না।

কিডনি মামলায় গ্রেফতারের পর জামিনে মুক্তি পাওয়া বহুতি গ্রামের গোলাম মোস্তফা অভিযোগ করেন, কিডনি বেচাকেনার খবর সর্ব প্রথম সাংবাদিক ও প্রশাসনের কাছে তিনিই জানিয়েছিলেন। যার ফলে স্থানীয় দালালরা তাকে কিডনি মামলায় ফাঁসিয়ে পাঁচ মাস জেল খাটিয়েছেন। তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আরো অভিযোগ করেন, সাংবাদিকদের তথ্য দেয়ার কারণে জেলখানায় থাকা অবস্থায় কিডনির দালাল তারেক ও নাফিজ মাহমুদ তাকে মারপিট করেছে, আর জেলখানা থেকে বেরিয়ে ঢাকায় গিয়ে ব্যবস্থা নেয়ারও হুমকি দিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বহুতি গ্রামের কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, জয়পুর বহুতি গ্রামের খোকা মিয়ার মেয়ে খোতেজা বানু কয়েকদিন আগে কিডনি বিক্রি করে বাড়ি এসেছেন, পার্শ্ববর্তী বৈরাগী বাজারের পল্লী চিকিৎসক আমিনুল ইসলাম কিডনি দেয়ার জন্য এখন সিঙ্গাপুর আছেন। দুর্গাপর গ্রামের সাইদুল ইসলাম কিডনি বিক্রির জন্য ঢাকায় আছেন। বহুতি গ্রামের সৈয়দ আলী ও তার স্ত্রী মমতাজ বেগম কিছুদিন আগে সিঙ্গাপুর থেকে শারীরিক পরিক্ষা  করে দেশে ফিরেছেন। এ বিষয় জানতে চাইলে সৈয়দ  বিদেশ যাওয়ার কথা অকপটে-অস্বীকার করে বলেন, অভাবের কারণে ঢাকায় একমাস রিকশা চালিয়ে আবার ফিরে এসেছি। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, এই এলাকার কেউই বাড়ি ছেড়ে গেলেই মানুষ মনে করে কিডনি বিক্রি করতে গেছে। ভেরেণ্ডি গ্রামের সেলিনা আখতার বলেন, সে সময় ভুল করে আমি আমার স্বামী, দেবর ও শ্বশুর কিডনি বিক্রি করেছিলাম। এরপর জানাজানি হলে দেশ-বিদেশের সাংবাদিকসহ প্রসাশন সবাই আমার বাড়ি এসেছেন, সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু একটি বছর হয়ে গেল কেউ খোজ খবর পযন্ত নেয়নি। এমনকি কোনো চিকিৎসা সেবাও ভাগ্যে জোটেনি। অথচ এখন অনেক মানুষই কিডনি বিক্রি করছে কিন্তু কেউ তাদের বাধাও দিচ্ছে না। একইভাবে রাঘবপুর গ্রামের সেকিন্দার আলী বলেন, অভাব মেটাতে মাত্র দেড় লাখ টাকায় কিডনি বিক্রি করেছিলাম। কিন্তু কিডনি বিক্রি করা ঠিক না সেটা জানা ছিল না। কিন্তু সে সময় জেলা প্রশাসক, এমপি,এসপিসহ প্রশাসনের বড় বড় কমকর্তারা এসে বলেছিলেন আমাদের বিনামুল্যে চিকিৎসা করাবেন। কিন্তু হাসপাতালে গিয়ে নিজের পরিচয় দেয়ার পরও আমাদের তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। অথচ এখন কিডনি বিক্রি হলেও কেউ আর বাধা দিচ্ছে না।
শরীরের একমাত্র কলিজা বিক্রিকারী বামনগ্রামের বেকার যুবক মেহেদি আক্ষেপ করে বলেন, ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে তার শরীরে অপারেশন করে ৬০ ভাগ কলিজা কেটে নেয়া হয়েছে। আর এ জন্য তাকে দেয়া হয়েছে মাত্র এক লাখ ৬০ হাজার টাকা। এরপর সাইফুলের মাধ্যমে দুয়েকটা কিডনি বিক্রিকারী সংগ্রহ করে দিয়ে সামমান্য কিছু টাকা মিললেও সে সময় কিডনি বিক্রির এই অবৈধ ব্যবসা নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারের পর সাময়িকভাবে সবকিছু বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু এখন তো আবার এলাকা থেকে অনেক মানুষ যাচ্ছে কিডনি বিক্রি করতে।এখন তো আর কেউ আর বাধা দিচ্ছে না। বহুতি গ্রামের স্থানীয় দালাল হিসেবে পরিচিত আবদুস ছাত্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মামলায় সাথে জড়িত হওয়ার পর আমি এই ব্যবসা থেকে সরে পরেছি। এখন কেউ বলতে পারবে না আমি কিডনি ব্যবসা করি।

কিডনি বিক্রি করে দিয়ে অনেকেই এখন প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তাঁরা ভারী কোন কাজকর্ম করতে পারছেন না। কিডনিজনিত নানা সমস্যা নিয়ে লোকজন প্রতিনিয়ত

স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসছেন। কিডনি বিক্রি করে যে সামান্য অর্থ পাচ্ছেন, এখন চিকিৎসা করাতে গিয়ে কারও কারও তার চেয়েও বেশি অর্থ ব্যয় হচ্ছে।
বোড়াই গ্রামের কিডনি বিক্রেতা মোঃ আইনুল বলেন,কিডনি দেওয়ার পর থেকে শারীরিক নানা অসুস্থতায় কর্মহীন হয়ে পড়েছি। অসুখ-বিসুখ লেগেই আছে। ভারী কোনো কাজ করতে পারি না। কোমরে ব্যথা করে।
ভেরেন্ডিরা গ্রামের সেলিনা বেগম বলেন,শরীরের অসুখ-বিসুখ লেগেই আছে। ভারী কোন কাজ করতে পারি না।
আইনে আছে মানবদেহে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন ১৯৯৯-এর ৯ ধারায় অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইনে বলা হয়েছে, সুস্থ ও স্বাভাবিক জ্ঞানসম্পন্ন কোনো ব্যক্তি অন্যের দেহে সংযোজন যোগ্য কিডনি, হূৎপিণ্ড, কলিজা , অগ্ন্যাশয়,অস্থি, চর্ম, টিস্যুসহ কোনো অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ক্রয়-বিক্রয়, বিনিময়ে কোনো সুবিধা লাভ, সেই উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন প্রদান বা প্রচারণা করতে পারবেন না।
একই আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী, এ আইন লঙ্ঘন করলে সর্বনিম্ন তিন বছর থেকে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং কমপক্ষে তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হবে। আইন অনুযায়ী, আত্মীয়ের মিথ্যা পরিচয়ে কেউ কিডনি বিক্রি করলে দাতা ছাড়াও ক্রেতা, সহায়তাকারী দালাল এবং কিডনি সংযোজনে জড়িত চিকিৎসকদের ক্ষেত্রেও একই শাস্তি প্রযোজ্য হবে। আইনে চিকিৎসকের সনদ বাতিলেরও বিধান রাখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দাতা ও গ্রহীতার রক্তের গ্রুপ ও টিস্যু টাইপসহ সব রেকর্ড সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে আইনে। শাস্তির বিধান অক্ষুণ্ন রেখে ২০০৯ সালে ভ্রাম্যমাণ আদালত আইনেও এটি সংযোজন করা হয়েছে।

স্থানীয় মাত্রাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ ন ম শওকত হাবিব তালুকদার লজিক নিজেদের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে বলেন, গত বছর এলাকার মানুষদের ব্যাপকহারে কিডনি বিক্রির খবর পেয়ে প্রশাসনের সহযোগিতায় মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি যারা কিডনি দিয়েছিলেন তাদের সুস্থ রাখার জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। কিন্তু নানা কারণে সেটা বাস্তবায়ন করা যায়নি। তিনি দাবি করেন, প্রশাসনের নিরাপত্ততা জোরদার করা ছাড়া এ এলাকায় কিডনি বিক্রি প্রতিরোধ করা কোনোমতেই সম্ভব নয়।

কালাই উপজেলার চেয়্যারম্যান মোঃ মিনফুজুর রহমান মিলন বলেন, বিষয়টি আমি লোক ম্যাধমে জানতে পেরেছি, আসলেই এটা দুঃখজনক ঘটনা। এই চক্রের সাথে জরিতদের ধরে দ্রত আইনের আওতায় আনা হবে।

কালাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন, এ সংক্রান্ত মামলা এর আগেও হয়েছিল ও তদন্ত সাপেক্ষে চূড়ান্ত প্রতিবেদনও দেয়া হয়েছে। আবারও নতুন করে চক্ররা তত্পর হয়েছে কিডনি বেচা-কেনায় এমন অভিযোগ আমরা পাইনি। পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেব।

x

Check Also

‘গ্রেটার সিলেট এসোসিয়েশন ইন স্পেন’ নির্বাচনে মুজাক্কির – সেলিম প্যানেল বিজয়ী

জিয়াউল হক জুমন, স্পেন প্রতিনিধিঃ সিলেট বিভাগের চারটি জেলা নিয়ে গঠিত গ্রেটার ...

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সাথে পর্তুগাল আওয়ামী লীগের মতবিনিময় সভা

আনোয়ার এইচ খান ফাহিম ইউরোপীয় ব্যুরো প্রধান, পর্তুগালঃ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোঃ শাহরিয়ার ...