ব্রেকিং নিউজ
Home | ব্রেকিং নিউজ | গোপালপুরের হেমনগর জমিদার বাড়ি এখন গরুর খামার

গোপালপুরের হেমনগর জমিদার বাড়ি এখন গরুর খামার

মোঃ নুর আলম, গোপালপুর (টাঙ্গাইল)টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার শতাব্দী প্রাচীন হেমনগর জমিদার বাড়ীর এখন বেহাল দশা। এ প্রাচীন পুরাকীর্তি যথাযথভাবে সংরক্ষিত না হওয়ায়, এখন ভূইফোড় এক আওয়ামীলীগ নেতার গরুর খামারে পরিণত হয়েছে।

জানা যায়, হেমনগর জমিদারীর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন পদ্মলোচন রায়। তিনি ১৮৪৮ সালে প্রথম পুখুরিয়া পরগনার জমিদার ভৈরবচন্দ্রের দুই আনা তালুক কিনে মধুপুর উপজেলার আম্বাড়িয়ায় জমিদারীর গোড়াপত্তন করেন। পদ্মলোচন প্রয়াত হলে পুত্র কালীচন্দ্র ১৮৫৫ সালে ওই পরগনার আরো চার আনার তালুক কিনে জমিদারীর প্রশ্বস্ততা বাড়ান।

কালীচরণ স্বর্গীয় হলে পুত্র হেমচন্দ্র জমিদারি দেখাশোনা শুরু করেন। কিন্তু মুক্তাগাছার মহারাজা এবং ধনবাড়ী জমিদারের সাথে মতবিরোধ দেখা দেয়ায় হেমচন্দ্র ১৮৮০ সালে আম্বাবাড়িয়া ত্যাগ করে গোপালপুর উপজেলার সুবর্ণখালি বর্তমানে সোনামুই গ্রামে রাজবাড়ী নির্মাণ করেন। কিন্তু সে বাড়ি যমুনায় বিলীন হলে হেমচন্দ্র ১৮৯০ সালে শিমলাপাড়া মৌজায় নির্মাণ করেন সুদৃশ্য দ্বিতল রাজবাড়ী। নবনির্মিত ভবনের প্রবেশ পথেই ছিল উড়ন্ত পরীর ভাস্কর্য। এ জন্য নামকরণ হয় পরীদালাল।

কড়ি আর পাথরে মোড়াই ছিল রাজবাড়ীর মূলঅংশ। রাজবাড়ীর ভিতরে ও বাইরে ছিল বিশাল পুকুর। এ ছাড়াও তিন কণ্যা ও চার বোনের জন্য রাজবাড়ীর দক্ষিণে নির্মিত হয় সাত পুকুর ও সুদৃশ্য বাড়ী। জমিদার বাড়ীর আশপাশ জুড়ে ছিল প্রায় সাড়ে ৬শ একর জমি। পরবতীতে হেমচন্দ্রের নামানুসারে এলাকার নামকরণ হয় হেমনগর।

১৯২৫ সালে হেমচন্দ্র চৌধুরী কাশীতে প্রাণত্যাগ করেন। তখন জমিদারী চার পুত্র হেরম্ভ চৌধুরী, গঙ্গেশ চৌধুরী, প্রফুল্ল চৌধুরী এবং যোগেশ চৌধুরীর মধ্যে ভাগাভাগি হয়ে যায়। জমিদার বাড়িতে তখন চার তরফে বসবাস করতেন। তবে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যরাই থাকতেন কোলকাতায়।

সাতচল্লিশে দেশ ভাগের সময় সাম্প্রদায়িকতার দরুন হেমচন্দ্রের উত্তরসূরিরা হেমনগর ছেড়ে ভারতে চলে যান। রেখে যান ১ হাজার ৮০০ একর ভূমির রাজবাড়ী, পুকুর, বাগিচা ও তৎসন্নিহিত এলাকা।

জমিদাররা চলে যাবার পর হেমনগর ও এর আশপাশের মানুষ বেশ কবার জমিদার বাড়ী লুট করেন। জানালা দরজা পর্যন্ত খুলে নেয়া হয়। ষাটের দশকে জমিদার বাড়ি ও সন্নিহিত ভূসম্পত্তি শত্রু সম্পত্তি ঘোষণা দেয়া হয়। পরবর্তীতে এটি অর্পিত সম্পত্তির মর্যাদা পায়। ১৯৭৯ সালে পরিত্যক্ত জমিদার বাড়ীতে নিমিত হয় হেমনগর কলেজ।

আশির দশকে সরকার রাজবাড়ী, পুকুর ও তৎ সংলগ্ন ৬.৩৩ একর ভূমি হেমনগর কলেজকে ১৫ বছরের জন্য প্রথম লীজ দেন। এ লীজ এখনো প্রতি তিন বছর পর পর নবায়ন করা হয়। বর্তমানে প্রায় ষাট হাজার টাকায় পুরো ৬.৩৩ একর ভূমি লীজে আছে। এর মধ্যে শুধু রাজবাড়ীর ভেতরের প্রায় দুই একরের সুবিশাল পুকুরটির, লীজ বাবদ সরকার প্রতি তিন বছরে, লীজমানি পান মাত্র ৪৮ হাজার ৬২০ টাকা।

সরকারের সাথে কলেজের চুক্তি মোতাবেক, ওই লীজকে সাবলীজ দেয়া নিষেধ। কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষ সেটা মানছেন না। বিশেষ করে বীরেন চন্দ্র গোপ কলেজে অধ্যক্ষ হিসাবে যোগদানের পর সরকারের নীতিমালা ভেঙ্গে, রাজবাড়ীর অন্দরের পুকুরটি লীজ দিয়ে সুবিধা লুটে নেন বলে অভিযোগ।

সাবেক অধ্যক্ষের সেই সুবিধা লোটার গন্ধে, মাছির মতো ভন ভন করে ছুটে আসেন, সরকারি দলের নেতা মাহবুব হাসান টুটুল। তিনি হেমনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ওই ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান মেম্বার।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সাবেক সাংসদ এবং কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি খন্দকার আসাদুজ্জামানকে ভুল বুঝিয়ে, অথবা কোনভাবে সুবিধা প্রাপ্তি ঘটিয়ে, গভর্নিংবডির রেজুলেশন ছাড়াই দুই নম্বরীতে পুকুরটি লীজ নেন। আর সেই অবৈধ লীজের ছুঁতায় টুটুলের অনুপ্রবেশ ঘটে রাজবাড়ীতে। এরপর রাজত্ব স্থাপন। সম্রাটগিরি।

হেমনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রওশন খান আইয়ুব জানান, সাবেক সাংসদের অনুগ্রহভাজন হওয়ায় টুটুল এতো দিন দাঁপিয়ে বেড়িয়েছেন। দলীয় পরিচয়ে মেম্বার হওয়ার পর, ধরাকে সরা জ্ঞান করতে থাকেন। বেআইনীভাবে পুকুর লীজ নিয়ে, রাজবাড়ীর অন্দরে প্রতিষ্ঠা করেন গরুর খামার। অধ্যক্ষ বীরেন চন্দ্র গোপের যোগসাজশে, অবৈধভাবে পুকুর লীজ নিলেও, গরুর খামারের কোন অনুমতি নেই। টুটুল নিজের কারিশমায় টানা পাঁচ বছর ধরে সেটি চালিয়ে আসছেন।

এলাকবাসির নিকট লিখিত অভিযোগে থেকে জানা যায়, সাবেক অধ্যক্ষ বীরেন চন্দ্র গোপ নিজের সুবিধার জন্য, অবৈধ লীজের গোড়াপত্তন করেন। আর টুটুল লীজের বাহানায় পুকুর পাড়ে, গরুর খামার করেন। খামারে অবাধে যাতায়াতের জন্য রাজবাড়ীর উত্তরাংশের প্রাচীর ভেঙ্গে অবৈধভাবে গেট চালু করেন।
কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নূরুল ইসলাম জানান, টুটুল মেম্বার এ অবৈধ গরুর খামার পরিচালনার জন্য কলেজের মিটার থেকে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নেন। কলেজকে এজন্য প্রতিমাসে, ৮/১০ হাজার টাকা বাড়তি বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হয়। সাবেক অধ্যক্ষ বীরেন চন্দ্র গোপের সাথে, টুটুলের অবৈধ লেনদেন থাকায়, বছরের পর বছর, কলেজকে বাড়তি বিদ্যুৎ বিলের ধকল, টানতে হচ্ছে। এমতাবস্থায় কলেজ কর্তৃপক্ষ অতিষ্ঠ হয়ে গত ২৬ জানুয়ারী টুটুলকে বিদ্যুৎ সংযোগ খুলে নেয়ার চিঠি দেন। কিন্তু টুটুল সেটি আমলে নেয়নি।

কলেজের চিঠিপত্র ঘেটে দেখা যায়, টুটুল গত ২২ ফেব্রুয়ারী, কলেজ গভর্নিংবডির সভাপতি এবং সাবেক সাংসদ খন্দকার আসাদুজ্জামানের নিকট এক দরখাস্তে, বিদ্যুৎ সংযোগ অব্যাহত এবং কলেজ ক্যাম্পাসে গরুর খামার অনির্দিষ্টকাল পরিচালনার অনুমতি চান। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, সাবেক সাংসদ খন্দকার আসাদুজ্জামান বিনাশর্তে দরখাস্ত মঞ্জুর এবং কলেজের বিদ্যুতে গরুর খামার পরিচালনার অনুমতি দেন।

এ ব্যাপারে টুটুলের বক্তব্য, তিনি মাছ ও গরুর খামারের জন্য, কলেজের মিটার থেকে বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন। প্রতি মাসে ব্যবহৃত বিদ্যুতের টাকা, কলেজ অধ্যক্ষ বীরেন চন্দ্র গোপের নিকট জমা দিয়েছেন।

কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম জানান, টুটুল বিদ্যুৎ বিল বাবদ কানাকড়ি ও কলেজকে দেননি। কলেজের ক্যাশ বইয়ে, ওই টাকার কোন হিসাব নেই। টুটুলের বক্তব্য তিনি সাবেক অধ্যক্ষ বীরেন চন্দ্র গোপের নিকট কলেজের রশিদ মূলে বিলের টাকা পরিশোধ করেছেন। কলেজের ক্যাশ বইয়ে হিসাব না থাকলে সেটির দায়দায়িত্ব সাবেক অধ্যক্ষের।

তিনি খামারের নিরাপত্তার জন্য রাজবাড়ীর উত্তরাংশের প্রাচীর ভেঙে নতুন গেট চালু করেছেন। এটি ভাঙতে পারেন কীনা প্রশ্নে বলেন, স্থানীয় সাংসদের মৌখিক অনুমতিতে সেটি করেছেন।

গত ২০ মার্চ হেমনগর কলেজ ও রাজবাড়ী সরেজমিন পরিদর্শনে, সাথে ছিলেন গোপালপুর বার্তার নির্বাহী সম্পাদক কে এম মিঠু। ঘুরে দেখা যায়, রাজবাড়ীতে এখনো বিরল প্রজাতির, অনেক পুরনো গাছপালা রয়েছে। জমিদারের লাগানো শতাব্দী প্রাচীন, সুস্বাদু জাতের লিচু ও আম গাছ এখনো টিকে আছে।

এলাকার আরিফুল ইসলাম, সবুজ তালুকদার, নাহিদুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান, পারভেজ হোসেন ও দেব সুমন অভিযোগ করেন, গরুর খামার করার পর থেকে, এখানকার মূল্যবান গাছপালা চুরি যাচ্ছে। চতুর্দিকে সুউচ্চ প্রাচীর, ভেতরে গরুর খামার এবং রাতদিন টুটুলের লোকজন পাহারা দেয়া সত্বেও, রাজবাড়ীর গাছ কেন চুরি যাচ্ছে এমন প্রশ্ন, এলাকার মুরুব্বী আলী হোসেন ও আলীম হোসেনের। কলেজ কর্তৃপক্ষ বিড়ালকে শুটকি হাটের চৌকিদার নিয়োগ দেয়ায়, রাজবাড়ীর মুল্যবান বৃক্ষ সম্পদ উজাড় হচ্ছে বলে, অভিযোগ ওই দুই প্রবীনের।

এ ব্যাপারে টুটুলের বক্তব্য, তিনি কখনো গাছপালা কর্তন করেননি। বরং কলেজের স্টাফরা গাছ কেটেছেন। তিনি আরো জানান, সম্প্রতি সেনাবাহিনী রাজবাড়ীতে প্রশিক্ষণে এসে কিছু গাছ কেটেছে। গাছ পাচারের বিষয়ে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম জানান, কোন স্টাফ বা সেনাবাহিনী রাজবাড়ীর গাছ কাটেনি। টুটুল উদোরপিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপাতে চাচ্ছেন।

এদিকে গরু খামারকে আড়াল করার জন্য টুটুল রাজবাড়ীর উত্তরপশ্চিমাংশ জুড়ে, বেআইনীভাবে কাটাতারের বেড়া দিয়েছেন বলে অভিযোগ। কলেজের কয়েকজন শিক্ষক জানান, কাাঁটাতারের বেড়া দিয়ে টুটুল নেশাখোরদের জন্য রাজবাড়ীর অভ্যন্তরে একটি সেফজোন তৈরি করেছেন। এখানে বহিরাগতরা অসামাজিক কাজ ও নেশা করার নিরাপদ আশ্রয় পায়। কখনো সখনো ছিনতাই ঘটে। পর্যটকরা কাঁটাতারের বেড়ার জন্য রাজবাড়ীর পুরোটা পরিভ্রমন করতে পারেননা।

এ ব্যাপারে টুটুলের বক্তব্য, গবাদিপশু যাতে কলেজে প্রবেশ করে, পরিবেশ নষ্ট না করে, এজন্য কাঁটা তারের বেড়া দেয়া হয়েছে। এখানে কোন নেশাখোরের স্থান নেই। কখনো ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটেনি।

কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, প্রভাবশালী মহলের যোগসাজশে কলেজ ক্যাম্পাসে বেআইনীভাবে শুধু গরুর খামারই নয়, তা দেখাশোনার নামে ঘরদরজা, খড়ের গাদা ও অন্যান্য অস্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। পৃথিবীর কোথাও কোন কলেজ ক্যাম্পাসে, কোনো গরুর খামার আছে বলে তার জানা নেই। এটি শুধু কলেজের পরিবেশই বিনষ্ট করছেনা একটি গুরুত্বপূর্ণ পুরাকীর্তির প্রতি অসম্মান দেখানো হচ্ছে।

এ ব্যাপারে টুটুলের বক্তব্য, গরুর খামার কলেজ ভবন থেকে কিছুটা দূরে। গবাদিপশু যাতে কলেজ ভবনে প্রবেশ না করে সেটি লক্ষ্য রাখা হয়।

গত ১ এপ্রিল হতে শুরু হয়েছে কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষা। শতশত পরীক্ষার্থী এবং সাথে আসা আত্মীয়স্বজরা, রাজবাড়ীর বিস্তীর্ন চত্বরে ভিড় জমান। কিন্তু খামারের গবাদিপশু রাজবাড়ী দাপিয়ে বেড়ানোয় কলেজ ক্যাম্পাসসহ সর্বত্র নোংরা পরিবেশ বিরাজ করে। ক্যাম্পাসের এমন অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশেই চলছে পরীক্ষা। ফলে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা এসব দেখে অস্বস্তি প্রকাশ করছেন।

কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য এবং উপজেলা চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, বিষয়টি খুবই লজ্জাজনক ও কষ্টদায়ক। সামান্য বিবেকবোধ বা লজ্জা থাকলে কোনো মানুষ কলেজ ক্যাম্পাস বা ঐতিহাসিক স্থাপনায়, এমন ব্যবসা করতে পারেন না। উপজেলা প্রশাসনকে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিকাশ বিশ্বাস অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে জানান, মাহবুব হাসান টুটুলকে নোটিশ করে অফিসে ডেকে,অবৈধ গরুর খামার এক মাসের মধ্যে সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু তিনি প্রশাসনের নির্দেশ মানেন নি। এজন্য আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ সব বিষয়ে মাহবুব হাসান টুটুল জানান, কর্তৃপক্ষ নির্দেশ দিলে তিনি গরুর খামার সরিয়ে নেবেন। তবে একটি মহল ষড়যন্ত্র করে পুকুরের বৈধ লীজ বাতিল করার অভিপ্রায়ে,মিথ্যা অভিযোগ আনছেন। গরুর খামারকে অজুহাত করে তাকে ঝামেলা করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

অসাধু ব্যবসায়ীদের জন্য পেঁয়াজের দাম কমছে না :ওবায়দুল কাদের

স্টাফ রির্পোটার :  ক্রয়ক্ষমতা বেড়ে যাওয়ায় চাল ও পেঁয়াজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম ...

আজ বিকাল চারটায় আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সভা

স্টাফ রির্পোটার : বর্তমান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সভা আজ ...