Home | ফটো সংবাদ | গাজীপুর সিটি নির্বাচনে জাহাঙ্গীর দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ

গাজীপুর সিটি নির্বাচনে জাহাঙ্গীর দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর আলম দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছেন সমর্থকরা।

রবিবার রাতে ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব তাকে এ মনোনয়ন দেয়।  এ খবর পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গে উল্লাসে ফেটে পড়েন অনুসারী  নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা। তারা আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেন। রাতে বোর্ড বাজার এলাকায় অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন আহমদ মহির নেতৃত্বে আনন্দ মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। স্থানীয় দলীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

এ সময় নেতাকর্মীরা বলেন, গণমানুষের আশা আকঙ্খা ও স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধভাবে নৌকার প্রতীককে নির্বাচনে বিজয়ী করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ মিয়া, রুবেল খান মন্টু, মশিউর রহমান মুকুল, হাজী আব্দুল কাদের, মশিউর রহমান মশি, শাহিন প্রমুখ।

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে প্রথম থেকেই বেকায়দায় ছিল আওয়ামী লীগ। টঙ্গী ও গাজীপুর শহর মিলিয়ে গঠিত সিটি করপোরেশনটিতে জাহাঙ্গীর ছাড়াও টঙ্গীর জনপ্রিয় নেতা আজমত উল্লাহ খান গতবারের মতোই মনোনয়নের প্রত্যাশী ছিলেন।

২০১৩ সালের নির্বাচনেও আজমত ও এবার মনোনয়ন পাওয়া জাহাঙ্গীর মনোনয়ন চেয়েছিলেন। তখন আওয়ামী লীগ আজমতকে বেছে নিলেও জাহাঙ্গীর বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে থেকে যান। পরে হঠাৎ উধাও হয়ে যাওয়ার কয়েকদিন পর একটি হাসপাতালে পাওয়া যায় জাহাঙ্গীরকে।

হাসপাতাল থেকে ফিরে ভোটের আগে জাহাঙ্গীর কাঁদতে কাঁদতে ভোট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেয়ার ঘোষণা দেন। তবে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় তার নাম থেকে যায় ব্যালটে।

সে সময় আজমত ও জাহাঙ্গীরকে ঘিরে গাজীপুর আওয়ামী লীগ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। আর ভোটে এর প্রভাব পড়ে। আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত এলাকায় বিএনপির প্রার্থী এম এ মান্নানের কাছে দেড় লাখ ভোটে হেরে যান আজমত।

আওয়ামী লীগের বিবেচনায় দুই প্রার্থীর মধ্যে বেশি যোগ্য ছিলেন আজমতউল্লাহ খান। কিন্তু দলের জরিপ বলছে, বেশি জনপ্রিয় জাহাঙ্গীর আলম। আর জাতীয় নির্বাচনের আগে এবার আর ঝুঁকি না নিয়ে ‘অধিক জনপ্রিয়’ প্রার্থী জাহাঙ্গীরের হাতেই নৌকা তুলে দিল ক্ষমতাসীন দল।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৫৭টি ওয়ার্ডে বর্তমানে ভোটার ১১ লাখ ৩৭ হাজার ১১২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার হলো ৫ লাখ ৭৫ হাজার ৮১৬ এবং ৫ লাখ ৬১ হাজার ২৯৬ জন নারী। তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১২ এপ্রিল, মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১৫-১৬ এপ্রিল, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৩ এপ্রিল এবং ১৫ মে অনুষ্ঠিত হবে ভোট গ্রহণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ফকিরহাটে মৎস্য সপ্তাহ পালন

সুমন কর্মকার : জাতীয় মৎস্য সম্পাহ-২০১৮ উপলক্ষে বাগেরহাটের  ফকিরহাট উপজেলায় (১৯ জুলাই) বৃহস্পতিবার সকালে ...

রামপালে প্রধান শিক্ষকের গাফিলতিতে বৃক্ষরোপন হয়নি

সুমন কর্মকার : ৩০ লক্ষ শহীদদের স্মরনে সারা দেশে ৩০ লক্ষ বৃক্ষরোপন ...