Home | ব্রেকিং নিউজ | গরমের নানা রোগ

গরমের নানা রোগ

বিডিটুডে ডেস্ক : গরম মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। গবেষণায় দেখা গেছে, গরমের সময়ই মানুষের স্বাস্থ্য সমস্যা বেশি দেখা দেয়। তাই সতর্ক হয়ে না চললে যেকোনো সময়ই আপনি পড়তে পারেন অসুস্থতায়। গরমে সাধারণত যেসব স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করা হলো।

পানিশূন্যতা : গরমে শরীর থেকে প্রচুর ঘাম বেরিয়ে যায়। প্রয়োজনীয় পানির অভাবে শরীরে এ সময় দেখা দিতে পারে পানিশূন্যতা। পানিশূন্যতার পাশাপাশি লবণ বা ইলেকট্রোলাইটসের অভাবও দেখা দেয়। এ সময় শরীরের কোষ সজীব রাখতে প্রচুর পানি খেতে হবে। ইলেকট্রোলাইটসের অভাব পূরণ করতে খাবার স্যালাইন খাওয়া যেতে পারে। শরীরে পানি কম হলে প্রস্রাব হলুদ হবে ও পরিমাণে কম হবে এবং জ্বালাপোড়া করবে। যতক্ষণ না প্রস্রাব স্বাভাবিক রং ফিরে পাবে, ততক্ষণ পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে। পানির সঙ্গে অন্যান্য তরল পদার্থ যেমন ফলের রস খাওয়া যেতে পারে।

হিটস্ট্রোক : অসহনীয় গরমে অনেকে মূর্ছা যেতে পারেন। কেউ মূর্ছা গেলে অর্থাৎ হিটস্ট্রোক হলে তাকে যথাসম্ভব শীতল জায়গায় নিয়ে যেতে হবে। পরনের কাপড়-চোপড় ঢিলা করে দিতে হবে, যাতে শরীরে পর্যাপ্ত বাতাস পৌঁছতে পারে। রোগীকে ঘিরে ভিড় করা উচিত নয়। রোগীর শরীরে হালকা ম্যাসাজ করে দেওয়া যেতে পারে। রোগীর মুখে শীতল পানির ঝাঁপটা দিতে হবে। রোগীকে গ্লুকোজ ও স্যালাইন খাওয়াতে হবে।

ত্বকের সমস্যা : প্রখর রোদে ত্বকে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ সময় খোলা আকাশের নিচে চললে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বক ভেদ করে কোষের জন্য বিপদ ডেকে আনে। ত্বকে ফোসকা পড়াসহ ত্বক বিবর্ণ হতে পারে। মেয়েদের ঠোঁটের রং পরিবর্তন হতে পারে। কারো কারো ঠোঁট ফেটে জ্বালা-যন্ত্রণা করে।

তাই এ সময় বাইরে বেরোলে অবশ্যই সানস্ক্রিন ক্রিম ত্বকে ব্যবহার করে বের হতে হবে। ক্রিমের গায়ে সান প্রটোকেশন ফ্যাক্টর বা এসপিএফ লেখা নিশ্চিত হয়ে কিনতে হবে। আমাদের দেশের জন্য এসপিএফ ১৫ যথেষ্ট। মুখমণ্ডলে এক চা চামচ এবং পুরো শরীরে দুই চা চামচ সানস্ক্রিন ক্রিম বা লোশন মাখতে হবে। এ সময় চোখে সানগ্লাস পরা শ্রেয়।

এছাড়া রিকশায় চড়লে সর্বদা হুড উঠিয়ে চলতে হবে। রংচংয়ে পোশাক এবং কালো পোশাক এড়িয়ে চলা বুদ্ধিমত্তার পরিচয়। যথাসম্ভ হালকা রঙের কিংবা সাদা রঙের পোশাক পরা গরমের জন্য উত্তম।

গরমে শরীরে ঘাম জমে ছত্রাক সংক্রমণ দেখা দিতে পারে। ঘাম শরীরের বিভিন্ন ভাঁজে বিশেষ করে কুঁচকিতে, আঙুলের ফাঁকে ও জনাঙ্গে জমা হয়ে সেখানে ছত্রাক সংক্রমণের পথ বিস্তার করে দেয়। তাই এ সময় ছত্রাক সংক্রমণ এড়াতে হলে শরীরের ভাঁজগুলোতে ঘাম জমতে দেওয়া যাবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

বিআরটিসি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : তাসরিফ খান। তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন ...

গণপিটুনির ঘটনায় কাউকে ছাড় নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্টাফ রির্পোটার : যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে গণপিটুনির মতো ঘটনা ঘটাবে—তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ...