ব্রেকিং নিউজ
Home | বিবিধ | আইন অপরাধ | খাগড়াছড়ি সহকর্মীকে গুলি করে হত্যা, আনসার সদস্যের মৃত্যুদন্ড

খাগড়াছড়ি সহকর্মীকে গুলি করে হত্যা, আনসার সদস্যের মৃত্যুদন্ড

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা দীঘিনালা উপজেলাতে সহকর্মীকে গুলি করে হত্যা মামলায় আনসার সদস্যের মৃত্যুদন্ড দিয়েছে বিজ্ঞ আদালত।

দীঘিনালায় সহকর্মী আনসারের নায়েক আমীর হোসেন (৬০) হত্যা মামলায় জামিনে মুক্ত সাবেক আনসার সদস্য মো: রফিকুল ইসলামকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত। বৃহষ্পতিবার (২৪শে সেপ্টেম্বর) দুপুরে খাগড়াছড়ির জেলা ও দায়রা জজ রেজা মো: আলমীর হাসান এই রায় ঘোষণা করেন। প্রায় পাঁচ বছর পর মামলার রায় ঘোষণা করেছে বিজ্ঞ আদালত। এর সাথে আসামিকে ফাঁসির আদেশ ও একই সাথে ৫০হাজার টাকা অর্থদন্ড দিয়েছে আদালত। তবে আসামি পলাতক রয়েছে।

২০১৫সালের ৩রা জুলাই বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে দীঘিনালা উপজেলার কবাখালী হেডম্যান পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। হত্যাকারী রফিকুল ইসলাম একটি ৩০৩ রাইফেল ও ৮৪ রাউন্ড গুলি নিয়ে পালিয়ে যায়। পরের দিন বিকেল পৌনে ৪টায় দীঘিনালা উপজেলার মনের মানুষ নামক স্থান থেকে সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

এ ঘটনার দিন নিহতের ছেলে ফরিদ উদ্দিন বাদী হয়ে দীঘিনালা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তী একই বছরের ১৭ই সেপ্টেম্বর পুলিশ রফিকুল ইসলামকে আসামি দেখিয়ে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। মামলা চলাকালীন রাষ্ট্রপক্ষ মোট ১২জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য আদালতে উপস্থাপন করেন। উভয় পক্ষের যুক্তি তর্ক উপস্থাপন শেষে প্রায় পাঁচ বছর পর আদালত রায় ঘোষণা করেন।

ঘটনার বিবরনে জানা যায়, জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকে রফিকুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে খাগড়াছড়ির জেলা ও দায়রা জজ রেজা মো: আলমীর হাসান এই রায় ঘোষণা করেন। প্রায় পাঁচ বছর পর মামলার রায় ঘোষণা হলে পরিবারের আত্মীয় স্বজনরা এ রায়ে খুশি। রফিকুল ইসলাম পানছড়ির বলিটিলা এলাকার মঙ্গল মিয়ার ছেলে। ঘটনার পর থেকে সে পলাতক রয়েছে। ২০১৫সালের ৩রা জুলাই খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার চৌধুরী হিল আনসার ক্যাম্পে অপর সহকর্মীদের কথার শব্দে ঘুমে সমস্যা হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে সহকর্মীদের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রফিকুল ইসলাম নিজের ব্যবহৃত অস্ত্র দিয়ে গুলি করতে যায়। তাকে বাঁধা দিলে পোস্ট কমান্ডার আমির হোসেনকে (৬০) প্রথম গুলি করে। পরে ফাঁকা গুলি ছুড়তে ছুড়তে নিজের ব্যবহৃত অস্ত্র ও গুলি নিয়ে পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ আমির হোসেনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। নিহতের বাড়ি পানছড়ির বলিপাড়া এলাকায়। ওই দিন নিহতের ছেলে ফরিদ উদ্দিন বাদী হয়ে দীঘিনালা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। একই বছরের ১৭ই সেপ্টেম্বর পুলিশ রফিকুল ইসলামকে আসামি দেখিয়ে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।

মামলা চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষ মোট ১২জন সাক্ষীর সাক্ষ্য আদালতে উপস্থাপন করেন। উভয় পক্ষের যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন শেষে প্রায় পাঁচ বছর পর আদালতে এ রায় দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য ২০১৫ সালের ৩রা জুলাই খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার চৌধুরী হিল আনসার ক্যাম্পে অন্য সহকর্মীদের কথার শব্দে ঘুমে সমস্যা হওয়ায় ক্ষিপ্ত হন রফিকুল ইসলাম। এ সময় সহকর্মীদের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রফিকুল ইসলাম নিজের ব্যবহৃত অস্ত্র দিয়ে প্রথম গুলি করলে পোস্ট কমান্ডার আমির হোসেন(৬০) গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। ওই দিন নিহতের ছেলে ফরিদ উদ্দিন বাদী হয়ে দীঘিনালা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। একই বছরের ১৭ই সেপ্টেম্বর পুলিশ রফিকুল ইসলামকে আসামি দেখিয়ে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

দেশের তথ্য দেশে রাখতে ডাটা প্রটেকশন আইন করার কথা ভাবছে সরকার : প্রতিমন্ত্রী পলক

বেনাপোল প্রতিনিধি : দেশের তথ্য দেশে রাখতে ডাটা প্রাইভেসি প্রটেকশন আইন করার কথা ...

রাজবাড়ী কোর্ট হাজতে আসামীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রাজবাড়ী প্রতিনিধি : রাজবাড়ী কোর্ট হাজত থেকে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে অস্ত্র ও ...