Home | ব্রেকিং নিউজ | খাগড়াছড়ি আদিবাসী ২টি গ্রামে ডায়রিয়ার প্রকোপ, এক শিশু নিহত, আক্রান্ত-২০, আক্রান্ত এলাকায় দু’টি মেডিকেল টিম

খাগড়াছড়ি আদিবাসী ২টি গ্রামে ডায়রিয়ার প্রকোপ, এক শিশু নিহত, আক্রান্ত-২০, আক্রান্ত এলাকায় দু’টি মেডিকেল টিম

khagrachari mapচাইথোয়াই মারমা, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : খাগড়াছড়ি জেলা সদরের দুর্গম আদিবাসী গ্রামে পাঁচ মাইলের দেবেন্দ্র মোহন ও তইবাকলাই পাড়ায় ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে আরো অন্তত ২০ শিশু ও নারী। আক্রান্তদের মধ্যে ১৫জন খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় দু’টি মেডিকেল টিম প্রেরণ করা হয়েছে। মংগলবার সকালে দেবেন্দ্র মোহন কার্বারী পাড়ায় ডায়রিয়া আক্রান্ত ৩বছরের শিশু কুফুতি ত্রিপুরা(০৩) মারা যাওয়ায় এলাকা বসবাসকারীরা আতংক বিরাজ করছে । আদিবাসী ২টি গ্রামে এদের ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর মধ্যে ৫মাইল বাসিন্দা অবিতা ত্রিপুরা(৩২), ৪মাইল এলাকা বাসিন্দা নলেন মোহন ত্রিপুরা(৩৭), দলোবিকা ত্রিপুরা(১২), দুময়ন্তি ত্রিপুরা(৩০), আল্পনা ত্রিপুরা(২৭), গুমরাত ত্রিপুরা(৯মাস), অজ্ঞলিকা ত্রিপুরা(১১), অনজলী ত্রিপুরা(০৩বছর), সুরেনা ত্রিপুরা(২৮), করেনসুর ত্রিপুরা(২৭) সহ ১৫ জনের অধিক খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছে । ঘটনার শুনার সাথে সাথে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডাঃ শহীদ তালুকদার নেতৃত্বে ডায়রিয়া আক্রান্ত এলাকা দ্রুত ভাবে স্বাস্থ্য কেন্দ্র খুলে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে ।
জানা যায়, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা সদর দুর্গম দুরবর্তী ২৬২নং গোলাবাড়ী মৌজার ৪মাইল এলাকায় দেবেন্দ্র মোহন ও তইবাকলাই পাড়া পানিবাহিত ডায়রিয়া রোগের প্রাদুভাব ১৫জনের অধিক আক্রান্ত চরম আকারে দেখা দিয়েছে । গত মঙ্গলবার সকালে দেবেন্দ্র মোহন ও তইবাকলাই পাড়ায় ডায়রিয়া রোগ ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় দেবেন্দ্র মোহন কার্বারী পাড়ায় ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে কুফুতি ত্রিপুরা নামে তিন বছরের এক শিশু মারা যায়। খবর পেয়ে ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা: শহীদ তালুকদারের নেতৃত্বে দু’টি মেডিকেল দুর্গত এলাকা পাঠানো হয়।
দেবেন্দ্র কার্বরী পাড়াবাসিন্দা পরেন ত্রিপুরা জানান, কুয়া ও ছড়া পানি ব্যবহার করার ফলে ৪,৫মাইল এলাকা দেবেন্দ্র কার্বারী ও তইবাকলাই পাড়ার দু’টি গ্রামে ডায়রিয়া প্রচন্ড আকার ধারন করেছে । যার ফলে এলাকা বসবাসকারীদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে ।
খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতালে ডায়রিয়া বিভাগে দায়িত্বরত সিনিয়ার ষ্টাফ নার্স শেলী চাকমা জানান, মূলতঃ কুয়া ও ছড়ার পানি পান করার ফলে ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়েছে । তবে চিকিৎসা সঠিক ভাবে পড়লে ভাল হয়ে উঠতে পারে ।
খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডাঃ সন্জীব ত্রিপুরা জানান, এ পর্যন্ত হাসপাতালে ১৫ জন ভর্তি হয়েছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। বর্তমানে হাসপাতালে ১৫জন ভর্তি হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করছে । আক্রান্ত ২টি আদিবাসী গ্রামে ২টি মেডিকেল টিম কাজ করছে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ঋণ খেলাপিদের আরও সুযোগ দিচ্ছে সরকার

স্টাফ রির্পোটার : কিছু ঋণগ্রহিতা বা ঋণখেলাপি থাকেন, যারা ব্যাংক থেকে ঋণ নেন ...

রাণীনগরে ৭৫ পিচ ইয়াবাসহ আটক ১

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি : নওগাঁর রাণীনগর থানাপুলিশ অভিযান চালিয়ে ৭৫ পিচ ইয়াবাসহ ...