Home | বিবিধ | কৃষি | কুড়িগ্রামে সরকারীভাবে পদক্ষেপ চান কৃষকরা

কুড়িগ্রামে সরকারীভাবে পদক্ষেপ চান কৃষকরা

অনিরুদ্ধ রেজা, কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রামে চরের জমিতে অর্থকরী ফসল চাষ বদলে দিতে পারে সেখানকার কৃষকের জীবনযাএারমান । সনাতন পদ্ধতিই চরাঞলের কৃষকদের ইচ্ছেমত বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ না করে আধুনিক পদ্ধতিতে চরের বালু জমিতে ভুট্রা, চিনা বাদাম, ও মরিচ চাষ করা গেলে বদলে যেতে পারে চরাঞলের মানষের কৃষি অর্থনীাতর অবস্থাও। আর এজন্য দরকার সরকারীভাবে কার্যকরী পদক্ষেপ । সরকারীভাবে চরাঞলের জমিরধরন নির্নয় করে আধুনিক পদ্ধতিতে বালু বা সামান্ন পলিযুক্ত বালু জমিতে চাষ উপযোগী তিন প্রকার ফসল উৎপাদনে চরাঞলের কৃষকদেও আগ্রহী করতে পারলেই চরের মানুষ কৃষি অর্থনীতিতে স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে।

সরকারী হিসাবে কুড়িগ্রাম জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত ব্রদ্মপুএ, ধরলা, তিস্তা, দুধকুমর,ফুলকুমর , জিঞিরাম,সহ ১৬ টি নদ-নদী অববাহিকায় চার শতাধিক চরে প্রায় ৩০ হাজার হেক্টর জমির মধ্যে মোট আবাদী জমির পরিমান প্রায় ২৩ হাজার হেক্টও । স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত কুড়িগ্রাম জেলার নদ-নদী অববাহিকায় ২৩ হাজার হেক্টর বালু জমিতে পরিকল্পিতভাবে লাভজনক ফসল চাষের ওপর সরকারীভাবে কোন গবেষনা করা হয়নি । শুধুমাএ দুই একটি এনজিও স্বল্প মেয়াদী সময়ে চরের জমিতে মিষিাট কুমড়া চাষ করে সফলতা দেখালেও পরবর্তীতে কেউ আগ্রহী হয়ে উঠেনি। অধিক পরিশ্রম আর সেচ খরচ বেশী পড়ায় এবং সেই অনুযায়ী দাম না পাওয়ায় বেসরকারি এনজিওর এ উদ্দ্যেগ সফল হয়নি।

জেলা কৃষি বিভাগের তথ্যমতে জেলার ৯ টি উপজেলার ভুট্রা চাষের লক্ষ্যমাএা ৭ হাজার ৭৩৫ হেক্টর জমি নির্ধারন করা হলেও উৎপাদন হয়েছে ৮ হাজার ৩৯২ হেক্টর জমিতে । যা তার আগের বছরের তুলনায় ৬৫৯ হেক্টর বেশী । কিন্ত শুধুমাএ চরের জমিতে কি পরিমান ভুট্রা চাষ হয়েছে সে হিসাব কৃষি বিভাগ দিতে পারেনি । অন্যদিকে চিনা বাদাম যা একমাএ চরাঞলের বালু জমিতেই উৎপাদন হয়। গত মৌসুমে সেই চিনা বাদাম উৎপাদনের লক্ষ্যেমাএা ২ হাজার ৩ শ হেক্টর জমিতে দেখানো হলেও উৎপাদন হয়েছে ২ হাজার ৬৯৫ হেক্টও জমিতে । যা তার আগের বছরের তুলনায় ৩৯৫ হেক্টর বেশী । আর গত বছর ১ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে মরিচ উৎপাদনের লক্ষ্যেমাএা নির্ধারন করা হলেও অর্জিত হয়েছে ১ হাজার ৩৪৫ হেক্টও জমিতে । যা লক্ষ্যমাএার চেয়ে কম । কিন্ত চরাঞলে মরিচ চাষের আলাদা হিসাবেও তারা দিতে পারেনি ।

এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ- পরিচালক ড. মোস্তাফিজার রহমান প্রধান জানান, নদ-নদীর অববাহিকায় ২৩০ টি চরে ২৯ হাজার ৮২৪ হেক্টর জমি রয়েছে । এরমধ্যে ২২২ টি চরের ২২ হাজার ৫৪৯ হেক্টর জমি আবাদযোগ্য । কৃষকরা সেখানে ধান, ভুট্রা, চিনাবাদাম, মরিচ, গম,কাউন, চিনা, তিল কলা সহ বিভিন্ন রকম ফসল চাষ করছেন । এরমধ্যে কম পরিশ্রমে ,স্বল্প খরচে বেশী লাভজনক ফসল ভুট্রা, চিনাবাদাম, ও মরিচ চাষে কৃষকদের উদ্ভুদ্ধ করা হচ্ছে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

নড়াইলে দোলযাত্রা উৎসবে হোলিতে রেঙেছে নারী-পুরুষ

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল : নড়াইলের অলি-গলিতে চলছে হোলি উৎসব। তরুণ-তরুণী, জোয়ান-বৃদ্ধ সবাই ...

২ যাত্রীর পাকস্থলীতে ৩ হাজার ইয়াবা

স্টাফ রির্পোটার : রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়াবাসহ ২ যাত্রীকে আটক করেছে ...