ব্রেকিং নিউজ
Home | আন্তর্জাতিক | কাল্লুজির ডাক – জি সি.ভট্টাচার্য,

কাল্লুজির ডাক – জি সি.ভট্টাচার্য,

 

ছোটদের গল্প, ১৬ মার্চ, বিডিটুডে ২৪ডটকম : হিন্দিতে যাকে বলে পুকার তাকেই ডাক বলছি যাকে করুণডাক ও বলা যেতে পারে।

কিন্তু কাল্লুজির করুণডাক কি হতে পারে? তিনি তো সদাই অপরাজেয়, করুণ ভাবে তিনি কি ডাকেন কাউকে কখনো? এ কি করে হয়?

 কি করে হয় তাই বলছি । ঘটনাটি ঘটে কিছুদিন আগে।

সেবার তখন বেনারসে খুব সাম্প্রদায়িক মার দাঙ্গা চলছিল।

আমি তখন কলেজে পড়ি আর আমার পরীর দেশের রাজকুমার অপরূপ সুন্দর ভাইপো

চঞ্চলের বয়স ছিলো তেরো বছর প্রায় কেননা ছেলেটা তখন একটা নামী দামী ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়তো ক্লাস সেভেন্থে।

সেদিন দুপুর বেলায় হঠাৎ করে ছুটি হয়ে গেলো আমাদের কলেজে। …শুনি যে কার্ফু অর্ডার নাকি ততক্ষণে জারি হয়ে গেছে শহরে। মদনপুরাতে জোর মারকাট হয়েছে হিন্দু মুসলমানের মধ্যে খানিক আগে।

চারিদিকে পালাও পালাও রব উঠেছে।

 আমি ও তাড়াতাড়ি করে সাইকেল জোরে চালিয়ে ফিরছি, হঠাৎ মনে পড়ল চঞ্চলের স্কুলের কথা।বৌদি হয়ত জানেই না অবস্থা আর দাদার তো বাইরে বাইরে চাকরী, ছেলেটাকে দেখে কে?

 তখনই ছুটলাম আবার। তা গিয়ে দেখি যা ভেবেছি ঠিক তাই।স্কুলের বাস বন্ধ আর বাচ্ছারা গেটের মধ্যে লাইন দিয়ে অপেক্ষমান তাদের অভিভাবকদের জন্যে কিন্তু তাঁরা অনেকেই আসেননি, অত কম সময়ের মধ্যে খবর না পাবার জন্যে ।

 আমি গিয়ে নিজের নামের স্লিপ দিয়ে চঞ্চলকে ডাকিয়ে নিলাম। চঞ্চল এসে আমাকে দেখে ‘আমার কাকু’… বলে পরিচয় দিতে প্রিন্সিপাল আমাকে দিয়ে নাম,ঠিকানা,সময় সব লিখিয়ে নিয়ে সই করিয়ে তবে অপরূপ সুন্দর ছেলেটাকে দিয়ে দিলেন আমাকে।

 আমি চঞ্চলের দুধ সাদা নরম ডান হাতটা ধরে স্কুল গেটের বাইরে নিয়ে এসে, তুলে সাইকেলে বসিয়ে নিয়ে বাড়ির পথ ধরলাম তখনই বটে তবে কাজ হলনা ।

 পথে পুলিশের গাড়ি হুটার বাজিয়ে ঘোষণা করতে শুরু করলো যে সবাই নিজের বাড়িতে এখুনি চলে যান, কার্ফু শুরু হতে আর মাত্র দশ মিনিট বাকি।

 কি করি তখন? আমি চট করে নিজের বাড়ির উদ্দ্যেশ্যে গলির মধ্যে ঢুকে পড়লাম। চঞ্চলকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া ও আর হ’লো না। অবশ্য বাড়ী গিয়েই, ফোনে বৌদিকে সব জানিয়ে বলে দিলাম যে -‘তোমার পরম সুন্দর রূপকুমার একমাত্র ছেলে আমার কাছে আছে, চিন্তা করো না’।

 তবে সে দাঙ্গা আর থামে না ।

 তিন চারদিনেতে ও কার্ফুতে এক ঘন্টার ও বিরতি দেয় নি।

 ঘরে যা চাল ডাল আটা ছিলো তাই দিয়ে খাবার দাবার বানাবার কাজ চালাতে হলো আমাদের ।

 চার দিন পরে শুনি যে পরদিন সকালে এক ঘন্টার জন্যে বিরতি হবে সাতটাতে, অবস্থার একটু উন্নতি হলে।খবরের কাগজ ও আসেনা। টি০ভি০ আর আকাশবাণীই ভরসা।

 তাই মনে ভাবলাম যে একটু বাজারের দিকে ঘুরে আসবো আমি ও তরী তরকারী বা দুধের আশায়, পরের দিন সকালে।

 শরীরটা ভালো ছিলো না আমার এই সব চিন্তায়। আরো এক সপ্তাহ বাজার বন্ধ থাকলে যে আমাদের দু’জনকেই উপোষ দিতে হবে ঘরে বসে, তা কিন্তু এক্কেবারে ঠিক।

 পরদিন সকালে দুধবরণ সুকুমার পরম সুন্দর ছেলে চঞ্চলকে যোগ ব্যায়াম ট্যায়াম করিয়ে একটু পরে ভালো করে স্নান টান করিয়ে নিয়ে এসে সাজাতে বসেছিলাম বৌদির বদলে আমিই। স্কুল তো বন্ধ, তাই চঞ্চলের টানা টানা চোখে কাজল টাজল পরিয়ে দুধবরণ ছেলেটাকে দামি ক্রিম পাউডার মাখিয়ে প্রসাধন করছিলাম সবে, হঠাৎ মাথাটা কেমন যেন ঘুরে গেলো আমার।

 কি করি? তাড়াতাড়ি চঞ্চলের কোলেই মাথা রেখে শুয়ে পড়লাম আমি আর দুধ বরণ পরীর দেশের রাজকুমার অতি সুন্দর ছেলে আমার কপালে পীড়াহারি বা ব্যথানাশক বাম লাগাতে বসলো তখুনি।

 তাইতে একটু বেশ আরাম হ’তে চোখ বন্ধ হয়ে এসেছিলো আমার, কিন্তু আমার ভাগ্যে ঝামেলা তো একটা না ঠিক জুটবেই এসে।

 তখনি শুনি বাইরে কে যেন ডাকছে।

–‘আরে পন্ডিতজী, ও পন্ডিতজী, বলি বাড়িতে আছো নাকি? যদি থাক তো কুয়োর মধ্যে থেকে ব্যাঙের মতন তড়াক করে এক পেল্লায় লাফ মেরে বেরিয়ে এস তো দেখি শিগ্গীর করে একবার …’

 আরে এ কি সর্বনাশ? এতো নির্ঘাৎ কাল্লুজির গলা।যাঃ বাব্বা, কি করি এখন?’ বিশ্রাম করা মাথায় উঠলো আমার । …

 সত্যিই লাফিয়ে উঠতে হ’ল আমাকে আর তাড়াতাড়ি করে আগে পরীর দেশের রাজকুমার ছেলে চঞ্চলকে অন্তর্বাস ও তারপরে দামী নরম গোলাপী রঙের শার্ট আর ব্রাউন ভেলভেট কাপড়ের ফুলপ্যান্ট সব পরিয়ে দিয়ে দরজা খুলতে ছুটলাম আমি।

 ‘কি রে পন্ডিতজী, ঘুম দিচ্ছিলে না কি?’

 ‘না: , তা আপনি এই সাত সকালে কার্ফুর মধ্যে কোথায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন কাল্লুজী?

 ‘আরে কার্ফু আবার কোথায় পেলে তুমি এখন, সাতটা বেজে গিয়েছে কখন আর কার্ফুতে বিরতিও হয়েছে সেই তখনই। চার দিন ধরে ঘরে বসে খালি চাল ডালের খিচুড়ির ভোগ লাগিয়ে প্রাণ তো হাঁফিয়ে উঠেছিলো রে পন্ডিতজী, তাই বেরিয়ে ছিলাম বাজার করতে একটু, আর কি’।

 ‘তাই? তা আমি ও তো বাজারে যাব ভাবছিলাম কাল্লুজী, তবে আপনি তো দেখছি বাজার ও করেননি আর খালি হাতেই ফিরছেন একেবারে হাঁফাতে হাঁফাতে, বলি ব্যাপারটা কি?’

 ‘ব্যাপার খেপ্চুরিয়াস, আগে জল একটু, তারপরে কথা’।

 ততক্ষণে অপরূপ সুন্দর ছেলে চঞ্চল সব শুনে গ্লাসে করে ঠাণ্ডা জল নিয়ে এসেছে, আর কাল্লুজী ও বিনা বাক্য ব্যয়ে ট্রে থেকে গ্লাসটা তুলে নিয়ে ঢকঢকিয়ে জল পান শুরু করে দিয়েছেন।

 একটু ধাতস্থ হয়ে তিনি বললেন –‘ তুমি কি পাগল হয়েছে পন্ডিতজী যে বাজারে যাবার নাম মুখে আনছ, আমার অবস্থা দেখে ও কিছু বুঝছো না নাকি?’

 ‘কি বুঝবো কাল্লুজী?’

 ‘বোঝবার আর তোমার আছেই বা কি রে পন্ডিতজী? তবে তোমার কিছু হয়ে গেলে এই রাজকুমার বাবুয়ার কি হবে বল? এখুনি যে দু দু’টো খুন হয়ে গেলো কার্ফু ছাড়তেই, তার কি কিছু জানো পন্ডিতজী? বাইরে যাবার নামটি ও মুখে আনবে না ভুলেও, আরে তৃতীয়জন তো আমিই ছিলাম না আজ?’

‘তার মানে কাল্লুজী?’

‘মানে আবার কি হবে রে পন্ডিতজী? আরে স্রেফ জবাই হয়ে গিয়েছিলাম রে পন্ডিতজী, তা জানো তুমি কিছু? আচ্ছা আমি যাই এখন…টা টা’।

 ‘তা যাবেন তো বটেই কাল্লুজী? তবে একটু চা খেয়ে গেলে পারতেন আপনি আর ঘটনাটা ও যদি শুনিয়ে যেতেন তা হ’লে আমার বুঝতে সুবিধে হত পরিস্থিতিটা একটু’।

 ‘ছাই বুঝতে তুমি, তোমার ওই চাল কুমড়োর মতন মুন্ডুতে কিছু বুদ্ধি থাকলে তো বুঝবে? বলি মরবার শখ হয়েছে তোমার নাকি যে বাইরে যাবার নাম করছো? …আরে আমি তো বাজারের দিকেই যাচ্ছিলাম …আর যেই না মদনপুরার গলির দিকে গিয়েছি আর যায় কোথায়? তিন চারটে মুসলমানের ছোঁড়া হাতে ছুরি আর কি বলে বড় বড় ছোরা নিয়ে এসে আমাকে ঘিরে ধরে গলায় ছোরা ঠেকিয়ে হিড় হিড় করে নিজেদের পাড়ার মধ্যে টেনে নিয়ে গেলো একটু আগেই ’।

‘কি সর্বনাশ, আপনি কি করলেন কাল্লুজী?’

‘আরে করবো আবার কি রে পন্ডিতজী তখন? করবার আর রইলই বা কি আমার আর তাই বল না? …নিয়ে গিয়েই প্রশ্ন —এই শালা কাফের, তোর নাম কি?’

 ‘কোনমতে বললাম –কাল্লু রাম’।

 শুনেই তারা উচ্চহাস্য করে বললো –‘শালা,তোদের রাম তো ভগবান আছে না, ও ভি তো নপুন্সক হয়ে গিয়েছে। ঠিক তোদের সব হিন্দুদের মতন, ধরব আর মারব তোদের সব শালাকে এবারে। তা তুই ডাক দেখি তোর রাম কে এখন গলার শির তুলে চেঁচিয়ে পাড়া মাথায় করে, শালা কাফের। দেখি একবার যে তোদের রামের কত দম আছে যে এসে তোকে আমাদের হাত থেকে বাঁচায় এখন ।.ডাক শালা ….দু’মিনিট সময় দিলাম’।

 আমি আর কি করবো? জোরে চেঁচিয়ে বললাম –‘রাম, রাম আমাকে বাঁচাও …’।

 শুনে তারা হো হো করে হেসে উঠে বললো –‘ আবে, জোরে ডাক তোর রাম কে। ও শালা তো বহরা হয়ে গিয়েছে …চিল্লা জোরে’।

‘আমি আরো প্রাণপন জোরে ডাক দিলাম –‘রাম…রাম …ও রাম.. জলদি এসে আমাকে বাঁচাও, রাম’।

তারা বললো -‘অব শালে বস ভি কর দে। বহুত হুয়া তেরা রাম নাম, অব রাম নাম সত্য হ্যায় হোনা তেরা হি বাকি হ্যায় …তো ইহ লে ’।

 দু’হাতে ছোরা তুলে তারা আমার বুকে বসিয়ে দিতে এগিয়ে এলো আর আমি আঁ আঁ করে উঠলাম ভয়ে।

 ‘তারপরে কাল্লুজী?’ রুদ্ধস্বরে প্রশ্ন করলাম আমি।

 ‘তারপরে আবার কি হবে রে পন্ডিতজী? যা হবার নয় তাই হলো। তাদের পিছনে হঠাৎ জোর শব্দ হ’লো ঠিক যেন কেউ দৌড়ে আসছে আর তা শুনেই তারা সবাই পিছন দিকে ফিরে তাকালো, হয়তো পুলিশ এসে গিয়েছে ভেবে’।

 ‘আর আপনি টেনে দৌড় দিলেন তখন তো?’

 ‘না রে পন্ডিতজী, অতো সোজা নয় তাদের হাত থেকে পালিয়ে আসা, তারা আমার জামার কলার শক্ত করে ধরে রেখে ছিলো একজন আর অন্য জন হাত’।

‘তবে?’

 ‘তবে যে ঠিক কি হলো তখন তা বুঝতে আমার ও একটু সময় লেগে ছিলো ঠিকই। তাদের একজন হঠাৎ চিত্কার করে উঠলো –‘আরে ই ক্যা হ্যায় রে?….আরে বাপ্পারে মর গইলি রে…. ই়য়া আল্লা, ভাগ ভাগ জলদি সে….ই তো পাগলা হ্যায় রে’।

 ‘তাদের চিত্কারে সেখানে তখন নরক গুলজার অবস্থা’।

 ‘যখন আমি একটু ধাতস্থ হলাম তখন সেখানে কেউ নেই এক আমি আর সে ছাড়া’।

 ‘সে কে কাল্লুজী?’

‘কে আবার? আমার রাম’।

‘আপনার রাম ? তার মানে? রাম নিজে এসে আপনাকে বাঁচিয়ে দিলেন আজ?’

 ‘মানে আবার কি রে পন্ডিতজী? রাম তো সবার মধ্যেই আছেন কি না?

 ‘একটু খুলে বললে ভালো হয়না কাল্লুজী? তা রাম কি রূপে দেখা দিলেন আপনাকে আজ আর তার ভয়ে ওই দুর্দান্ত খুনে মুসলমানেরা পালালই বা কেন?’

 ‘আর কি করবে রে পন্ডিতজী? না পালিয়ে দাঁড়িয়ে কামড় খাবে নাকি?’

 ‘বলেন কি কাল্লুজী, আপনি? রাম আবার কামড়ে ও নেয় নাকি?’

 ‘আলবাত কামড়ায়? শক্তের ভক্ত যে দুনিয়া, না কামড়ে নিয়ে উপায় কি?’

 ‘তাহলে রামের বড় বড় দাঁত ও আছে, বলুন?’

 ‘তা আছে আর কামড়ালেই জলাতঙ্ক যদি চোদ্দটা ইনজেকসন না নেয় পেটে? ’

 ‘মানে?’

 ‘মানে আবার কি রে পন্ডিতজী? তা কুকুরে কামড়ালে জলাতঙ্ক হবে না তো কি হবে ছাই? হাওয়াতন্ক?’

 ‘রাম কি কুকুর?

 ‘আলবাত কুকুর। এ হ’লো পাড়ার কালুয়া কুত্তা। ঘোর কালো রঙের কুকুর, যাকে সবাই কাল্লু বলে ডাকতো আর আমি কাছে গেলেই যে লেজ নেড়ে এগিয়ে এসে দাঁড়াত, কেননা আমি ওকে রোজ বিস্কুট খাওয়াতাম যে। …তাই না দেখে লোকে বলতে শুরু করলো যে -দেখ …দেখ, কি মজা… এক কালুয়া অন্য কালুয়া কে বিস্কুট খাওয়াচ্ছে ….কেমন দুই কাল্লুর বেশ বন্ধুত্ব জমেছে’।

 ‘রাগ করে আমি তাকে শুধু রাম বলে ডাকতাম আর সে ও ডাক শুনলেই দৌড়ে চলে আসতো আমার কাছে যেখানেই সে থাকুক না কেন।আজ ও সে দূরেই ছিলো কিন্তু আমার করুণ ডাক ঠিক তার কানে গিয়ে পৌঁছে ছিলো আর সে তখুনি বিদ্যুতের চেয়েও বেগে ছুট দিয়েছিলো আমার ডাক শোনা মাত্র। এত ভয়ানক জোরে সে দৌড়ে এসেছিলো যে তার ধাক্কাতে পিছনের একটা মুসলমান ছিটকে পড়েছিলো আর সে একজনের হাতে আর অন্য জনের পায়ে কামড় বসিয়ে দিয়েছিলো এসেই বিনা প্রশ্নে।যার ফলে ছুরি ছোরা সব খসে পড়ে যায় তাদের হাত থেকে। যে আমার গলা বুক লক্ষ্য করে ছোরা বসিয়ে দিতে যাচ্ছিলো, তার হাত কামড়ে ঝুলে পড়ে রাম,.আর থাকে হাতে ছোরা? শালারা পিস্তল টিস্তল আনে নি শব্দ হবে জোর এই ভয়ে হয়তো, আর তা হলেই তো পুলিশে এসে দেখা মাত্র গুলি চালিয়ে মারবে, অর্ডার জারি হয়েই আছে যে’…. ’

 ‘আমি যাই গিয়ে এবারে? আবার কার্ফু লেগে গেলো বলে’ কাল্লুজী উঠলেন।

 ততক্ষণে চঞ্চল এগিয়ে এসেছে …

 বলল-‘কাল্লু আঙ্কল, একটু চা খেয়ে যাবেন না? আমি করে এনেছি যে’, বিস্কুট সমেত চায়ের ট্রে এগিয়ে দিয়ে মৃদু হেসে নিজের টানা টানা চোখ দু’টি আরো বড় বড় করে বললো চঞ্চল।

 তার অপরূপ সুন্দর মুখের দিকে চেয়ে আবার বসে পড়ে কাল্লুজী হেসে বললেন –‘তাই নাকি বাবুয়া? তবে দাও, চা’টুকু না হয় মুখে দিয়েই যাই। বিশেষ করে তোমার মতন দারুণ মিষ্টি ছেলে যখন এত করে আমার জন্যে চা করে এনেছে তখন আর না করি কি করে, বল না রে পন্ডিতজী?’

 আরাম করে চায়েতে চুমুক দিলেন কাল্লুরামজী।

 

x

Check Also

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সাথে পর্তুগাল আওয়ামী লীগের মতবিনিময় সভা

আনোয়ার এইচ খান ফাহিম ইউরোপীয় ব্যুরো প্রধান, পর্তুগালঃ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোঃ শাহরিয়ার ...

বাংলাদেশ ও পর্তুগাল বর্ধিত আন্তঃ-সংসদীয় সহযোগিতায় সম্মত

আনোয়ার এইচ খান ফাহিম, ইউরোপীয় ব্যুরো প্রধান, পর্তুগাল: বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জনাব ...