Home | আন্তর্জাতিক | কলকাতায় বোনের সঙ্গে যৌনতায় নিশ্চিহ্ন পরিবার!

কলকাতায় বোনের সঙ্গে যৌনতায় নিশ্চিহ্ন পরিবার!

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : পরিবারের মধ্যেই নিষিদ্ধ যৌন সম্পর্ক? কলকাতার রবিন সন স্ট্রিটের সাইকো কাণ্ডে অন্তত তেমনটাই দেখছে পুলিশ । পরিবারের সদস্য পার্থ দে-র চিরকুট, ডায়েরি থেকে বেরিয়ে এসেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য।
পুলিশ বলছে, কলকাতায় যে ফ্ল্যাটে এক নারী ও দুটি কুকুরের কঙ্কাল পাওয়া গিয়েছিল, সেখানে বসবাসকারী পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অবাধ যৌনতা চলতো। বৃহস্পতিবার সকালে ওই কঙ্কালগুলির হদিশ দিয়েছিলেন পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য – কঙ্কাল হয়ে যাওয়া ওই নারীর ভাই।

কলকাতার পুলিশ বলছে, কঙ্কাল হয়ে যাওয়া নারী – দেবযানী দে-র ভাই পার্থ দের কিছু লেখা আর একটি ডায়েরি খুঁটিয়ে পড়ার পরেই তারা এখন নিশ্চিত যে ওই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে যৌনতার সম্পর্ক ছিল।
পুলিশ কর্মকর্তাদের কথায়, পার্থ দে ওই ডায়েরিতে বর্ণনা দিয়েছেন যে কীভাবে তাঁর বড় বোন দেবযানীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। সেই সম্পর্কের আভাস পেয়ে যান তাঁদের মা – যিনি ২০০৭ সালে মারা গেছেন। ওই সম্পর্কের কারণে মা তাঁর বড় বোনের প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে ওঠেন বলেও পার্থ তাঁর ডায়রিতে লিখেছেন।

এই অভিযোগও করেছেন তিনি যে বোনের সঙ্গে সম্পর্কে ভাঙ্গন ধরাতে তাঁর ঘরে একজন পরিচারিকাকেও রেখেছিলেন তাঁর মা – যাতে ওই পরিচারিকার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু মায়ের সেই ধারণা ভুল ছিল বলে মি. দে ডায়েরীতে লিখেছেন। কোনও জায়গায় আবার উল্লেখ করেছেন যে একজন ডাইনীর জন্যই তাঁদের পরিবার শেষ হয়ে গেল। অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার পার্থ দের বড় বোন ও দুটি পোষা কুকুরের যে কঙ্কালগুলি পাওয়া গিয়েছিল, সেগুলির ফরেনসিক তদন্ত চলছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদি দেবযানী ডিসেম্বরে মারা গিয়ে থাকেন তাহলে মাত্র ছ’মাসে কোনও মানুষের শরীর কঙ্কালে পরিণত হওয়া অস্বাভাবিক। তাই দেবযানী কবে মারা গিয়েছিলেন বা পার্থর দাবী মতো তিনি কুকুরগুলি মারা যাওয়ার দু:খে অনশনেই মারা গেছেন না কি তাঁকে খুন করা হয়েছিল, সেগুলোও জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। আর ঘরের মধ্যে তিনটি মৃতদেহ থাকলেও কেন নিকট প্রতিবেশীরা কোন গন্ধ পেলেন না, সেটাও ভাবাচ্ছে পুলিশকে।

পার্থ দে-ই পরিবারটির একমাত্র জীবিত সদস্য – যাকে মানসিক চিকিৎসার জন্য একটি সরকারি হাসপাতালে রাখা হয়েছে। একটি মেডিকেল বোর্ড গঠিত হয়েছে, তবে চিকিৎসকদের সামনে এখনও তিনি মুখ খোলেন নি বলে হাসপাতাল সূত্রগুলি জানিয়েছে। বুধবার রাতে পরিবারের কর্তা – পার্থ-দেবযানীর বাবা ৭৭ বছর বয়সী অরবিন্দ দে গায়ে আগুন লাগিয়ে মারা যাওয়ার পরেই এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে আসে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন শান্তি চুক্তি চূড়ান্ত বললেন ট্রাম্প

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক :  সফররত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলে পৌঁছেছেন। এরপর তিনি ...

জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় মুসলিম বিশ্বকে নেতৃত্ব দেয়ার আহ্বান ট্রাম্পের

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক :  সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় মুসলিম বিশ্বের নেতাদের ...