ব্রেকিং নিউজ
Home | আন্তর্জাতিক | একবার নয়, তিন-তিনবার চেষ্টা করেও কার্যকর করা যায়নি যার মৃত্যুদণ্ড

একবার নয়, তিন-তিনবার চেষ্টা করেও কার্যকর করা যায়নি যার মৃত্যুদণ্ড

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : জন হেনরি জর্জ লি দুনিয়ার বিরলতম সৌভাগ্যবানদের একজন, ফাঁসির মঞ্চে নিয়েও যাঁকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলানো যায়নি। একবার নয়, তিন-তিনবার চেষ্টা করেও কার্যকর করা যায়নি লির মৃত্যুদণ্ড। ঘটনা আজ থেকে প্রায় ১৩০ বছর আগের।যুক্তরাজ্যের বাসিন্দা লি কাজ করতেন রাজকীয় নৌবাহিনীতে। আগে থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে নানা ধরনের চুরির অভিযোগ ছিল। কিন্তু প্রমাণের অভাবে কিছুই করা যাচ্ছিল না। তবে ১৮৮৪ সালের ১৫ নভেম্বর যা হলো, তাতে লির বাঁচার আর কোনো পথ রইল না।
ঘটনার দিন তিনি কাজ করছিলেন তাঁর চাকরিদাতা এমি কিজের বাসায়। সেদিন বাড়িতে জন ছাড়া কেউই ছিল না। বড়সড় দাঁও মারার লোভে এমি কিজকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেন লি। বিচারে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয় লির অপরাধ। ফাঁসির রায়ও হয়।
এর পরই ঘটে সেই আশ্চর্য ঘটনা। ১৮৮৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য লিকে জেলখানা থেকে নিয়ে যাওয়া হলো ফাঁসির মঞ্চে। গলায় দড়িও পরানো হলো, কিন্তু দেখা গেল পায়ের নিচের যে ট্র্যাপডোর সরে ফাঁসি কার্যকর করবে, সেটা নড়ছেই না।
জেলখানায় ফিরিয়ে নেওয়া হলো লিকে। প্রকৌশলী দিয়ে পরীক্ষা হলো ট্র্যাপডোর, তখন কোনো ত্রুটি পাওয়া গেল না। এরপর আরো দুবার লিকে ফাঁসি দেওয়ার চেষ্টা হয়, ফল সেই একই। লি থাকলে যেন ট্র্যাপডোরটা নিজের কাজই ভুলে যায়। অথচ অন্য সময় একেবারে স্বাভাবিক। এ অবস্থায় লির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আশা বাদ দিতে হয় কর্তৃপক্ষকে, যুক্তরাজ্যের হোম সেক্রেটারি উইলিয়াম হারকোর্ট লির মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন। লি তখন ১৯ বছরের যুবক। ২২ বছর পর জেল থেকে মুক্তি পান তিনি। এরপর তিনি পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে, সেখানেই তাঁর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

মে দিবস উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শ্রমিক সমাবেশ করার প্রস্তুতি বিএনপির

স্টাফ রিপোর্টার : মহান মে দিবস উপলক্ষে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শ্রমিক সমাবেশ ...

চলে গেলেন বলিউডের বর্ষিয়ান অভিনেতা বিনোদ খান্না

বিনোদন ডেস্ক :  চলে গেলেন বলিউডের বর্ষিয়ান অভিনেতা বিনোদ খান্না। আজ সকালে ...