Home | আন্তর্জাতিক | আন্দোলনে নতুনমাত্রা যোগ হচ্ছে: বিএনপি

আন্দোলনে নতুনমাত্রা যোগ হচ্ছে: বিএনপি

স্টাফ রিপোর্টার, ২৮ মার্চ, বিডিটুডে ২৪ডটকম : বিরোধী দলের দাবির প্রতি সরকার কোনো ভ্রুক্ষেপ করছে না অভিযোগ করে বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘বর্তমান সরকারের সময় শেষ হয়ে এসেছে। আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারের পতন ঘটানো হবে।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ সরকারের অবস্থা থেকে মনে হয়, আমরা যে চার দফা দাবিতে আন্দোলন করছি সরকারের সে দিকে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। আন্দোলনে আরও নতুনমাত্রা যোগ হচ্ছে। এ আন্দোলন বৃথা যাবে না সফল হবেই।’

দ্বিতীয় দিনের হরতালের শুরুতে বৃহস্পতিবার সকালে নয়াপল্টন দলীয় কার্যালয়ের মূল ফটকে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে দলের এই যুগ্ম-মহাসচিব বলেন, ‘পুলিশের অজস্র গুলি, ভ্রাম্যমাণ আদালত, গ্রেপ্তার, জুলুম নির্যাতন, রিমান্ড ও ডাণ্ডাবেড়ি সত্বেও জনগণ সারাদেশে শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালন করছে। এজন্য তাদেরকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘দেশে কোনো কারফিউ জারি করা হয়নি কিন্তু সরকার যেন নিজেই সারাদেশে কারফিউ জারি করেছে। আন্দোলনকারীদের দেখামাত্র গুলির নির্দেশ কোনো পরাধীন দেশে বিজাতীয় শক্তির বিরুদ্ধে হতে পারে। গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের দাবি আদায়ের আন্দোলনকে এভাবে স্তব্ধ করা যায় না। এটাই ইতিহাস কিন্তু আওয়ামী লীগের ইতিহাস হচ্ছে গণতন্ত্র হত্যার ইতিহাস।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশ যেভাবে আন্দোলনকারীদের দেখা মাত্র গুলি করে হত্যা করছে তা সরাসরি সংবিধানের লঙ্ঘন। এর জন্য তাদেরকে একদিন আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা জনগণের সাংবিধানিক অধিকার। কিন্তু জনগণ এ সাংবিধানিক অধিকার পালনে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।’

পুলিশের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সারাদেশ আজকে নেতাকর্মীদের রক্তে রঞ্জিত হয়ে পড়েছে। জনগণ আপনাদের ভাই। তাই সরকারের অবৈধ নির্দেশে জনগণের উপর গুলি করবেন না।’ জনগণের রক্তে দেশের মাটিকে রঞ্জিত না করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

হরতালের বাকি সময়টুকু শান্তিপূর্ণ ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে পালন করার জন্য দেশবাসির প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আচরণ বেসামাল হয়ে পড়েছে। তাদের সূর্যাস্তের সময় চলে এসেছে।’ এই স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্টর সরকারের পতন ঘটিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের জন্য আরও তীব্র আন্দোলন করার ঘোষণা দেন তিনি।

এদিকে হরতালে শুরুতে সকাল থেকেই দলীয় কার্যালয়ের মূল ফটক তালাবদ্ধ রয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনো নেতাকর্মীকে দলীয় কার্যালয়ে আসতে যেতে দেখা যায়নি। ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুগ্ম-মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদ ও অফিসের কর্মচারীসহ ১০ থেকে ১২ জন বুধবার থেকেই বিএনপি অফিসে অবস্থান করছেন।

সকাল থেকে নয়াপল্টন এলাকায় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। এ এলাকায় আইনশৃঙ্খলাবাহীনির সদস্য ও সংবাদকর্মীদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। এছাড়া বিএনপি অফিসের কাছেই রাখা হয়েছে পুলিশের জলকামান, রায়ট কার।

x

Check Also

বাংলাদেশের পতাকার রঙে আলোকিত হলো অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের রাজধানী ব্রিসবেনের দুটি মূল স্থাপনা স্টোরি ব্রিজ এবং ...

অবশেষে বৈঠকে বসছে ভারত ও পাকিস্তান

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : দুই বছর পর সিন্ধুর জল বণ্টন নিয়ে মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) ভারতের সঙ্গে ...