ব্রেকিং নিউজ
Home | অর্থনীতি | ব্যবসা ও বাণিজ্য | আইন করেই খালাস আরজেএসসি

আইন করেই খালাস আরজেএসসি

rjsc photoস্টাফ রিপোর্টার : সঠিকভাবে কোম্পানি পরিচালনার জন্য যুগোপযোগী আইন করেই খালাস কোম্পানি আইনের রক্ষক প্রতিষ্ঠান রেজিষ্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস (আরজেএসসি)। নিবন্ধিত কোম্পানিগুলো সঠিকভাবে আইন পরিপালন করছে কিনা তা এ প্রতিষ্ঠান ঘুর্ণাক্ষরেও তদারকি করে না। যে কারণে দেশের প্রায় ৯৫ শতাংশ কোম্পানি অনিয়ম করে পার পেয়ে যায়। আর কোম্পানিতে কর্মরতরা নানা অনিয়ম মুখ বুজে সহ্য করে যায় দিনের পর দিন। কোম্পানিগুলো কর্মচারী শোষণ করে মোটাতাজা হলেও ভাগ্য পরিবর্তন খুব কমই হয় যারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলেন বেঁচে থাকার তাগিদে।
প্রাইভেট কিংবা পাবলিক লিমিটেড সব ধরণের কোম্পানির নিবন্ধন দেয় আরজেএসসি। কোম্পানি নিবন্ধনের সময় শ্রমিকবান্ধব এবং দেশের বিদ্যমান আইন কানুন অনুসারে কতিপয় নিয়মনীতি সম্পর্কে কর্তৃপক্ষকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হয়। এছাড়া কোম্পানিতে শেয়ারহোল্ডারদের অধিকার সম্পর্কেও অনেক বিধিবিধান আরোপ করা আছে। কিন্তু তা দেখভালের কেউ নেই। আরজেএসসি শুধুমাত্র কোম্পানি নিবন্ধন দিয়ে দায়িত্ব শেষ করে। কোম্পানি থেকে কেউ প্রতারিত হলে কার কাছে যাবে ভুক্তভোগীরা তা খুঁজে পান না।
পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিগুলো সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা (এমডি) একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে থাকলে অন্য পাবলিক লিমিটেড অথবা তার অধীনস্থ কোনো কোম্পানির এমডি পদে নিয়োগ পাবে না বলে আরজেএসসি’র যে আইন আছে তা পরিপালন করে না অধিকাংশ কোম্পানি।
বিএসআরএম স্টিলস, তাল্লু স্পিনিং, বঙ্গজ, মিথুন নিটিং, আর্গন ডেনিমসসহ অসংখ্য কোম্পানি এমডি নিয়োগে আরজেএসসি’র আইনের তোয়াক্কা করে না। তবে সরকারের অনুমতি নিয়ে একাধিক প্রতিষ্ঠানে এমডি পদে থাকতে পারবে বলে শর্ত থাকলেও কোম্পানি কর্তৃপক্ষ তাও করেনা। কিন্তু তারপরেও আরজেএসসি’র পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়না। অনেকের ধারণা আরজেএসসিকে যে কোনো সময় মোটা অংকের টাকা দিয়ে কেনা যায়। তাই কোম্পানি আইনের ব্যত্যয় ঘটলেও তা কারো কিছু করার থাকে না।
আইনের প্রতি কোম্পানি কর্তৃপক্ষের অবহেলা এবং তারপরও আরজেএসসি’র নিস্ক্রিয় থাকার কারণ জানতে চাইলে সংস্থাটির কর্মকর্তা হারুন-উর রশীদ বলেন, এখন আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আরজেএসসি অনেক সক্রিয়। আর আরজেএসসি থেকে অনুমোদন নিয়ে একই ব্যক্তি একাধিক প্রতিষ্ঠানে এমডি হিসাবে থাকতে পারবেন বলে তিনি জানান।
এদিকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিগুলোতে যিনি সার্বক্ষণিক সময় দিতে পারবেন তাকে এমডি নিয়োগ দেয়া জরুরি বলে মনে করেন বিনিয়োগকারীরা। যে সব কোম্পানিতে ভাড়া করা এমডি থাকেন সেগুলোর প্রতি আস্থা থাকে না বলে বিনিয়োগকারীরা জানান।
তাদের মতে, একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির মালিক বা শেয়ারহোল্ডার থাকেন অনেকে। যে কারণে সার্বক্ষণিক একজন এমডি জরুরি। এছাড়া বড় কোম্পানি হলেও তো দুইজন এমডি হলেও ভালো হয় বলে বিনিয়োগকারীদের অনেকের ধারণা। তাই কর্তৃপক্ষ যাতে একই ব্যক্তিকে একাধিক কোম্পানিতে এমডি পদে চাকুরি করার সুযোগ না দেয় সে দাবি জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

টানা ৮ দিনের ছুটিতে ভোমরা স্থলবন্দর

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাপ্তাহিক সরকারি ছুটি ও পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে টানা ...

১ বছর পর হিলি দিয়ে মরিচ আমদানি শুরু

হিলি প্রতিনিধি : দেশে উৎপাদিত কাঁচা মরিচের সরবরাহ কমে যাওয়ায় এবং খোলা ...