ব্রেকিং নিউজ
Home | বিনোদন | ঢালিউড | অসম্ভবকে সম্ভব করলেন অনন্ত জলিল

অসম্ভবকে সম্ভব করলেন অনন্ত জলিল

ananta barsha ananta jalil and borsha ananta jalil bdtoday24 ananta jalil gp ad ananta jalil most welcome ananta jalil ananta-barshaবিনোদন ডেস্ক : সমালোচনা ও ভাল উদ্যোগের জন্য সবসময়ই আলোচিত থাকেন বাংলা চলচ্চিত্রের বিপ্লবী সুপারস্টার অনন্ত। সত্যিই অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন অনন্ত। তবে কোনো দৈবশক্তি বা অতিমানবীয় কায়দায় নয়। সময়োপযোগী প্রযুক্তি,গল্প, গান আর নির্মাণ দিয়ে মধ্যবিত্ত দর্শককে আবার প্রেক্ষাগৃহে ফিরিয়েছেন তিনি। এর জন্য তার অর্থ ব্যয় আর আন্তরিকতার ঘাটতি নেই। দর্শক যখন প্রেক্ষাগৃহবিমুখ, কোনো নির্মাতা যখন সাহস করে অবস্থার উত্তরণে এগিয়ে আসছে না, তখন দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে দেশীয় চলচ্চিত্রের পুনরুজ্জীবনে বিশাল বাজেটে নির্মিত আন্তর্জাতিক মানের চলচ্চিত্র নিয়ে যাত্রা শুরু করলেন এবং সফল হলেন এম এ জলিল অনন্ত। তার চলচ্চিত্র শুধু দেশে নয়, বিদেশের মাটিতেও সমানভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। অশ্লীলতার ভয়াল থাবায় নব্বই দশকের শেষভাগ থেকে ঢাকার চলচ্চিত্র বিধ্বস্ত। দর্শক প্রেক্ষাগৃহবিমুখ, একের পর এক প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ এবং ভারতীয় চলচ্চিত্র আমদানির অপতৎপরতায় যখন ঢালিউড নিকষকালো অন্ধকারে নিমজ্জিত ঠিক তখনই ২০১০ সালে ‘খোঁজ দ্য সার্চ’ নিয়ে চলচ্চিত্রের পুনরুজ্জীবনে অনন্তর যুদ্ধ ঘোষণা। দূরদর্শী প্রজ্ঞা আর মেধা দিয়ে সহজেই যুদ্ধ জয় করলেন তিনি। এরপর একে একে ‘হৃদয় ভাঙা ঢেউ,’ ‘দ্য স্পীড’, ‘মোস্ট ওয়েলকাম’ এবং ‘নিংস্বার্থ ভালোবাসা’, জয়ের ধারা অব্যাহত রেখে সফলতার পথে অনবরত এগিয়ে যাচ্ছেন ঢালিউডের সাফল্যের বরপুত্র এমএ জলিল অনন্ত। মধ্যবিত্ত থেকে উচ্চবিত্তের দর্শক সপরিবারে ফিরল প্রেক্ষাগৃহে। শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী এমনকি মন্ত্রী  পর্যন্ত অনন্তের সফল নির্মাণ দেখতে প্রেক্ষাগৃহের কড়া নাড়লেন। সবার মুখে শুধুই অনন্তর উচ্ছ্বসিত প্রশংসা।
 
এ তো গেল অনন্তের চলচ্চিত্র নিয়ে দেশের চালচিত্র। বিদেশের মাটিতেও তার সমান জয়জয়কার। গত ১০ মার্চ অনন্তর ‘মোস্ট ওয়েলকাম’ চলচ্চিত্রটির ইন্টারন্যাশনাল প্রিমিয়ার হয় লন্ডনের এলফোর্ড সিনেওয়ার্ল্ডে। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে দেশীয় চলচ্চিত্র রপ্তানি হলো। প্রিমিয়ারের পর লন্ডনের আটটি প্রেক্ষাগৃহে ‘মোস্ট ওয়েলকাম’ মুক্তি পায় এবং বিপুল দর্শকপ্রিয়তা নিয়ে প্রদর্শিত হয়। গত ১৭ মে কান চলচ্চিত্র উৎসবের সবচেয়ে বড় স্ক্রিন অলিম্পিয়া ওয়ানে প্রদর্শিত ও ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়। তবে ‘নিঃস্বার্থ ভালোবাসা’র সবচেয়ে বড় অর্জন হলো- আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা আইএমডিবি রেটিংয়ে শক্ত অবস্থান তৈরি করে নেওয়া। বহুল আলোচিত এই রেটিংয়ে বাংলাদেশি কোনো চলচ্চিত্র প্রথমবারের মতো স্থান পেল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

মন্ত্রিসভায় বৈষম্যবিরোধী আইনের খসড়ার অনুমোদন

স্টাফ রিপোর্টার: মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধে বৈষম্যবিরোধী আইন, ২০২২-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত ...

পার্বত্য অঞ্চল হবে সম্পদ শান্তিতে সমৃদ্ধ: পরিকল্পনামন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার: পার্বত্য চট্টগ্রামের সম্প্রীতি, সম্ভাবনা ও উন্নয়নের বিষয়টি বেশ জটিল, তবে ...