ব্রেকিং নিউজ
Home | বিবিধ | আইন অপরাধ | অরিত্রীর আত্মহত্যা : অভিুযক্ত ২ শিক্ষকের বিচার শুরু

অরিত্রীর আত্মহত্যা : অভিুযক্ত ২ শিক্ষকের বিচার শুরু

স্টাফ রিপোর্টার : ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৯ম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার মামলায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাজনীন ফেরদৌস ও শাখা প্রধান জিন্নাত আরার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এ অভিযোগ গঠনের ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে এ মামলার বিচারকাজ শুরু হলো।

বুধবার (১০ জুলাই) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ রবিউল আলম অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২৭ অক্টোবর দিন ধার্য করেন। জামিনে থাকা ভিকারুননিসার দুই শিক্ষক এদিন কাঠগড়ায় ছিলেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল আসামিদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করেন। আর বাদীপক্ষের আইনজীবী সবুজ বাড়ই অব্যাহতির আবেদনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে দিয়ে অভিযোগ গঠন করেন।

২০১৮ সালে ৩ ডিসেম্বর রাজধানীর শান্তিনগরের নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয় শিক্ষার্থী অরিত্রী। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে ভিকারুননিসার বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করে।

ওই ঘটনায় ৪ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন থানায় ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাজনীন ফেরদৌস, প্রভাতী শাখার প্রধান জিনাত আক্তার ও শ্রেণি-শিক্ষিকা হাসনা হেনার বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচণার অভিযোগে অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারী মামলা করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে বলা হয়েছে, অরিত্রীর স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা চলছিল। ২ ডিসেম্বর (২০১৮) সমাজবিজ্ঞান পরীক্ষা চলার সময় তার কাছে একটি মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। এ জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষ আমাদের (বাবা-মা) ডেকে পাঠায়। ৩ ডিসেম্বর স্কুলে গেলে স্কুল কর্তৃপক্ষ আমাদের জানায়, অরিত্রি মোবাইল ফোনে নকল করছিল, তাই তাকে বহিষ্কারের (টিসি) সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

স্কুল কর্তৃপক্ষ মেয়ের সামনে আমাকে (বাবা) অনেক অপমান করে। এই অপমান এবং পরীক্ষা দিতে না পারার মানসিক আঘাত সইতে না পেরে সে (অরিত্রী) আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। বাসায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয়। অন্যদিকে স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, অরিত্রী পরীক্ষায় মোবাইল ফোনে নকল নিয়ে টেবিলে রেখে লিখছিল।

পরে ২০ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক কাজী কামরুল ইসলাম ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, শাখা প্রধান জিন্নাত আরাকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

মেয়র নাছিরের ভিডিও বার্তা

স্টাফ রির্পোটার : আওয়ামী লীগের বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় একটি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম ...

মামলায় শিশুদের আসামি করা শিশু আইন ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন

স্টাফ রির্পোটার : এ বছরের গোড়ার দিকের কথা। ঢাকার একটি আদালতে মায়ের ...